দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার পারদ চড়ছে রাজ্যের ভোটারদের। বিশেষ করে এসআইআর হওয়ার পর থেকে সকলের মনেই এই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে যে এবারের ফল কি হবে। এবারও কি ঘাসফুল শিবির বড় ব্যবধানে জিতবে নাকি ক্ষমতায় আসবে বিজেপি, এই সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন গোটা বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে এই মুহূর্তে ঘোরাফেরা করছে। এক কথায় বলতে গেলে, রাজ্য রাজনীতিতে রীতিমতো তোলপাড় চলছে।
এই আবহে ফর্ম–৬ ইস্যুতে সিইও দফতরে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগের পাল্টা নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন বিরোধী দলনেতা, তথা নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী, শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি নেতারা। পাশাপাশি, গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে কমিশনে নালিশ জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার, তাদের অভিযোগ, তৃণমূল সুপ্রিমোর একাধিক মন্তব্য নির্বাচনী আচরণবিধীর বিরোধী।
শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের মূল বক্তব্য ছিল। কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী, বা ভোটের কাজে নিযুক্ত নিরাপত্তা বাহিনীদের বিরুদ্ধে তিনি বিশেষ করে মহিলাদের বলছেন মা-বোনেরা এদেরকে প্রতিরোধ করুন আপনারাই হাতা-খুন্তি নিয়ে বেরিয়ে এসে। এ তো সরাসরি হিংসাতে এবং নিরাপত্তা রক্ষীকে আক্রমণের মধ্য দিয়ে, পুরো নির্বাচন ব্যবস্থার উপরে, আক্রমণ করেছেন উনি। দ্বিতীয়ত, উনি বলছেন, বিজেপি কর্মীরা আপনারা জেনে রাখুন আমি বিজেপি করিনা বলতে হবে ৪ তারিখের পর পোস্টার দিয়ে।”
কমিশনের উদ্দেশ্যে বিরোধী দলনেতার প্রশ্ন, “ব্যান করা উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কেন ব্যান করবেন না আপনারা? নেবেন না ব্যবস্থা? তিনি কি ঊর্ধ্বে আইনের?” গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য, এই জাতীয় মন্তব্য গুলি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের আওতায় পড়ে। তাই কমিশনের উচিত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কি হয়। আগামীদিনে এই অধ্যায়ে আর কি দেখা যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে কি পাল্টা দেওয়া হয়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে সকল রাজ্যবাসীর।



By










