• Home
  • জেলার খবর
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন করাকে নাটক তকমা সুকান্তর

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন করাকে নাটক তকমা সুকান্তর

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এই মুহূর্তে বাংলা সহ গোটা জাতীয় রাজনীতিতে একটাই নাম ঘোরাফেরা করছে। আর সেটা হল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বর্তমান সময়ের মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো আলাদা এক নজির গড়ে ফেলেন। স্বাধীন ভারতে এই প্রথমবার কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শীর্ষ আদালতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেন। তিনি এসআইআর ঘিরে যে মামলা দায়ের করেছিলেন, তাতে তিনি নিজেই প্রশ্ন করলেন। যদিও আইনজীবী হিসেবে নন, বাংলার এক নাগরিক হিসেবে।

তবে গোটা বিষয়টিকে নাটকের তকমা দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির অন্যতম হেভিওয়েট নেতা, তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, সুকান্ত মজুমদার। কী বক্তব্য তাঁর? তিনি দাবি করেন যে বঙ্গ বিজেপি পুরো বছর দেখে এবং সেটা দিল্লির লোকেরাও দেখুক। শুধু তাই নয়, বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ এটাও দাবি করেন যে মুখ্যমন্ত্রীর শো পুরোপুরি ফ্লপ হয়ে গিয়েছে।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ক্লাস ২ অবজারভার চাওয়া হয়েছিল রাজ্যের কাছ থেকে। ওনারা দেননি বলেই মাইক্রো অবজারভার দেওয়া হয় কেন্দ্র থেকে। কাজ তো কাউকে করতে হবে। এসব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাটক। নিজের দিকে ক্যামেরাকে টানার একটা চেষ্টা। পুরো বছর আমরা দেখি। দিল্লির লোকেরাও দেখুক। এন্টারটেনমেন্ট হয়ে যাক আপনাদের। সারা বছরই আমরা তো দেখি খিঁচ মেরি ফোটো-খিঁচ মেরি ফটো।”

তিনি আরো বলেন, “উনি কখনো দার্জিলিংয়ে গিয়ে চা পাতা তোলেন পেছনে চায়ের বাস্কেট লাগিয়ে রেখে। এগুলো আমরা পুরো বছরই দেখি। পুরো ফ্লপ ওর শো। বাংলায় বড় সুপারস্টার হিসেবে মানি উত্তম কুমারকে। একটাই হিন্দি ছবি করেছেন উনি। বাকি সবকটা বাংলা। তবে সেই হিন্দি সিনেমা ফ্লপ হয়ে যায়। তো ফ্লপ হয়ে গেছে দিদিরও ছোটিসি মুলাকাত।”

প্রসঙ্গত, এদিন প্রধান বিচারপতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শোনার পর বলেছেন, “দেখছি, তেমন হলে সময় বাড়ানো হবে। ফের সোমবার শুনানি। যেই কারণে তিনি এসেছিলেন, বাংলার মানুষদের হয়ে, অনেকটাই বলেছেন। সেদিন যদি আসেন, পরের দিন বাকিটা বলতে পারবেন। সবচেয়ে বড় কথা, উনি বলতে পারলেন বাংলার মানুষের হয়ে।” শুনানি শেষে দু’পক্ষকেই নোটিস দেওয়া হয়। কমিশনের তরফ থেকে কি কি পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তা জানানোর নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্য কত অফিসার দিতে পারবে, তা জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয় নবান্নকে। এছাড়া আদালতের তরফ থেকে এটাও জানানো হয়েছে যে মাইক্রো অবজারভারের দরকার নেই যদি রাজ্য সহযোগিতা করে এবং কমিশনকে সেন্সেটিভ হতে বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top