দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: টানা ১১ ঘণ্টা জেরার পর অবশেষে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরোন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক, তথা রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী, রথীন ঘোষ। যদিও জেলা শেষে বেরিয়ে তেমন কিছু বলতে চাননি ঘাসফুল শিবিরের বিধায়ক। তিনি শুধু জানিয়েছেন যে আইটি সংক্রান্ত একাধিক ফাইল যাওয়া হয়েছিল এবং সেগুলি তিনি জমা দিয়েছেন। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, “কিছু নথিপত্র চেয়েছিল আইটি সংক্রান্ত। জমা দিয়েছি সেগুলো। বলেছে পরে আবার ডাকবে।”
খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার মাঝেই পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ায় তৃণমূল বিধায়ক রথীন ঘোষের। ইডির তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয় যে ২০১৪ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত মধ্যমগ্রাম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালীন তাঁর সুপারিশে অবৈধভাবে নিয়োগ হয়েছিল মধ্যমগ্রাম পুরসভায়। মামলার তদন্তে মোট পাঁচবার তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল সম্প্রতি শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনের মুখে। কিন্তু নির্বাচনী কাজে ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। ফলপ্রকাশের পর ফের তাঁকে তলব করা হয়। কিন্তু তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে।
অবশেষে সোমবার রথীন ঘোষ এসে উপস্থিত হন সিজিও কমপ্লেক্সে। বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ তিনি এসে উপস্থিত হন। টানা ১১ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ তিনি বেরোন। তবে তেমন কিছু বলতে চাননি। তৃণমূল বিধায়ক বলেছেন, “কিছু নথিপত্র চেয়েছিল আইটি সংক্রান্ত। জমা দিয়েছি সেগুলো। বলেছে পরে আবার ডাকবে।” প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের আরেক প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে। আদালতের দ্বারস্থ হলেও কোনও লাভ হয়নি তাঁর। এবার দেখার বিষয় যে জল কতদূর গড়ায়। কী হতে চলেছে শেষ পর্যন্ত? সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্যবাসী।



By










