দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: দীর্ঘ সাড়ে ৯ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে ইডি দফতর থেকে বেরোন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। তবে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেও এই ব্যাপারে কিছু জানাননি। তিনি শুধু বলেছেন, “কী কথাবার্তা হয়েছে, তা বলব না আমি। যা জানতে চাওয়া হয়েছে, আমার কাছে, সব বলেছি আমি।” স্বাভাবিকভাবেই, বিষয়টি নিয়ে একটা কৌতূহল তৈরি হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। কী কথাবার্তা হয়েছে দুপক্ষের, সেই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে সমগ্র রাজনৈতিক মহলে।
প্রসঙ্গত, নির্বাচন পর্ব চলাকালীন একাধিকবার, পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, রথীন ঘোষের ডাক পড়েছিল। তবে তিনি তা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। তবে অবশেষে শুক্রবার সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ প্রাক্তন মন্ত্রী এসে উপস্থিত হন সিজিও কমপ্লেক্সে। ইডি দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। রথীন ঘোষ বলেন, “কেন আমাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে, তা আমার জানা নেই। জানতে পারবো ভিতরে গেলে।” অবশেষে দীর্ঘ সময়ের পর তিনি বেরোন। সেক্ষেত্রে দেখার বিষয় যে এবার রথীন ঘোষের ক্ষেত্রেও সুজিত বসুর মতো ঘটনা ঘটে কিনা। তাঁকেও কি গ্রেপ্তার করা হবে? এই মুহূর্তে এটা যে এক বড় প্রশ্ন, তা বলাই যায়।
উল্লেখ্য, পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সম্প্রতি ইডি দপ্তরে হাজিরা দিলে সুজিত বসুকে প্রায় ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন মন্ত্রীকে, যা ঘিরে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। আদালতে তোলা হলে তাঁকে ২১ তারিখ পর্যন্ত ইডি হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এবার দেখার বিষয় যে পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জল কতদূর গড়ায় শেষ পর্যন্ত। রথীন ঘোষকেও গ্রেফতার করা হয় কিনা, সেটাই এখন দেখার।



By










