দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনায় পুলিশ এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে মূল অভিযুক্ত প্রভাস মন্ডল। তবে ছেলের মৃত্যুতে বিন্দুমাত্র শোকাহত নন মা সন্ধ্যা মন্ডল। বরং তিনি মনে করেন যে প্রভাস নিজের কর্মফল পেয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি এই দাবিও করেন যে বরাবর উশৃঙ্খল ছিল প্রভাস এবং কোনওদিনই মায়ের কথা শুনত না।
বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডের তদন্তে নেমে একটি সিসিটিভি ফুটেজ হাতে লাগে পুলিশের, যাতে নাবালিকার সঙ্গে প্রভাস মণ্ডলকে রাস্তা দিয়ে দেখা হাঁটতে দেখা গিয়েছিল। এরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং জেরা করে উদ্ধার হয় নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ। পুলিশ সূত্র মারফত খবর, ঘটনার পুনর্নিমাণ করতে মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রভাসকে নিয়ে যাওয়া হয় ঘটনাস্থলে। তদন্তকারীদের দাবি, তখন পুলিশের বন্দুক হাতিয়ে গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। পুলিশকে বাধ্য হয়ে পাল্টা গুলি চালাতে হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রভাসকে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, বুধবার ভোর ৫:৩০ নাগাদ, সাড়ে পাঁচটা নাগাদ প্রভাসের বাড়িতে আসে পুলিশ। মা সন্ধ্যা মণ্ডল স্পষ্ট করে দেন যে তার দেহ নেবেন না তাঁরা। ঘটনা প্রসঙ্গে সন্ধ্যাদেবীর বক্তব্য, “মেয়েটার সঙ্গে যা করেছে… ওর সঙ্গে যা হয়েছে, ঠিক হয়েছে। কর্মফল পেয়েছে।” তাঁর সংযোজন, “বরাবরই প্রভাস উশৃঙ্খল ছিল। কোনওদিনই মায়ের কথা শুনত না। নেশায় ডুবে থাকত।” যদিও তিনি আগেই পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন যে তাঁর ছেলে যদি এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তার শাস্তি পাওয়া উচিত। তবে দেখার বিষয় যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগামীদিনে বিস্ফোরক কিছু বেরিয়ে আসে কিনা।



By










