দেবজিৎ মুখার্জি: প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘটনায় মোদি সরকারের উপর চাপ বাড়াতে বিক্ষোভ জারি রেখেছেন বিরোধী দলের সাংসদরা। যেভাবে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের উপর অত্যাচার চালিয়েছে পুলিশ, তার প্রতিবাদ জানাতে সোমবার সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ দেখান বিরোধীরা। এই বিক্ষোভকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সংসদ চত্বরে। এছাড়াও রাজনৈতিক মহলেও নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
নিট পরীক্ষা সহ নানা সর্বভারতীয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে গত কয়েকমাস রীতিমতো তোলপাড় চলেছে জাতীয় রাজনীতিতে। কেন্দ্রকে লাগাতার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে বিরোধীদের। যদিও মোদি সরকারের একাধিক নেতা তাদের পাল্টাও দেওয়া হয়েছে এই প্রসঙ্গে। দিল্লির রাজপথে বিক্ষোভ দেখানো হয় ককরোচ জনতা পার্টির তরফ থেকে। অনশনে বসে কেন্দ্রকে চাপে ফেলেছিলেন লাদাখের সমাজকর্মী-গবেষক সোনম ওয়াংচুকও।
এছাড়াও সংসদ অভিযান সহ নানাভাবে পড়ুয়াদের উপর দিল্লি পুলিশের হামলার অভিযোগ তোলে বিরোধীরা। যদিও শেষ পর্যন্ত ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তবে তাও গেরুয়া শিবিরকে চাপে রাখতে সংসদে আওয়াজ তুলে চলেছে বিরোধীরা। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ইতিমধ্যেই, যন্তর মন্তরে পড়ুয়া বিক্ষোভে ছররা বন্দুকের ব্যবহার এবং দিল্লি পুলিশের দমিয়ে দেওয়া নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল গান্ধী। সোমবার সংসদ চত্বরেও পড়ুয়াদের উপর পুলিশি অত্যাচার নিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন বিরোধী সাংসদেরা। প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, রাহুল গান্ধী ছাড়াও সেই বিক্ষোভে যোগ দেন সপা প্রধান, তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অখিলেশ যাদবকে।
প্রসঙ্গত, প্রায় মাসখানেকের উপর প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালায় ককরোচ জনতা পার্টি, যা ঘিরে লাগাতার বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হচ্ছিল মোদি সরকারকে। তবে বিরোধীদেরও প্রতিনিয়ত পাল্টা দিয়ে গিয়েছিল পদ্ম শিবিরের নেতারা। এই আন্দোলন শুধু দেশের মাটিতেই নয়, বিদেশের মাটিতেও ছড়িয়ে পড়ে। তোলপাড় চলে দেশের নানা প্রান্তে। অবশেষে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, “কিছু দেশ-বিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে ছাত্র আন্দোলনের নামে। তারা যাতে কোনওভাবেই সুবিধা তুলতে না পারে পরিস্থিতির, সেজন্যই ইস্তফা আমার। দেশের জন্য আমার এই পদত্যাগপত্র।” এবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রহ্লাদ যোশী।



By










