• Home
  • জেলার খবর
  • Mamata: বীরভূমে থমথমে কুসুম্বা গ্রাম; মমতার ভাইঝি বৃষ্টির এ কি কাণ্ড!

Mamata: বীরভূমে থমথমে কুসুম্বা গ্রাম; মমতার ভাইঝি বৃষ্টির এ কি কাণ্ড!

Mysterious death of 'former' Chief Minister Mamata Banerjee's niece

বীরভূমের রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই তথা স্থানীয় ১ নং ব্লকের তৃণমূল সভাপতি নীহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের (৩২) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ও রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বাপের বাড়ির দোতলার বারান্দা থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করে রামপুরহাট থানার পুলিশ। পরিবারের দাবি, তিনি দীর্ঘ দিন ধরে গভীর মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তবে নিয়োগ দুর্নীতির কারণে চাকরি খোয়ানো এবং সাম্প্রতিক পারিবারিক টানাপোড়েনের মাঝে এই অস্বাভাবিক মৃত্যু বহু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ঘটনার বিবরণ ও উদ্ধার পর্ব

  • ঘটনার স্থান: রামপুরহাট ১ নং ব্লকের কুসুম্বা গ্রামে অবস্থিত মামাবাড়ি।

  • উদ্ধারের দৃশ্য: মঙ্গলবার দুপুরে নিজের বাড়ির দোতলার বারান্দায় গলায় কাপড় দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় বৃষ্টির ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয় ও পরিবারের লোকেরা।

  • পুলিশি পদক্ষেপ: রামপুরহাট থানার পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটি একটি আত্মহত্যার ঘটনা।

চাকরি খোয়ানো, বিচ্ছেদ ও মানসিক অবসাদ

বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর নেপথ্যে একাধিক জটিল কারণের কথা উঠে আসছে:

কারণ ও ঘটনাপ্রবাহ বিবরণ
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি ও চাকরি বাতিল স্থানীয় একটি স্কুলে গ্রুপ-সি পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। সিবিআই তদন্তের পর ওএমআর (OMR) শিটের কারচুপির প্রমাণ মেলায় এবং ৯০% গরমিল ধরা পড়ায় আইনি প্রক্রিয়ার পর চাকরি হারান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝি।
বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চাকরি হারানোর পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন চরম আকার নেয়। সম্প্রতি তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদের (Divorce) মামলা চলছিল, যা নিয়ে তিনি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত ছিলেন।
মানসিক অবসাদ ও একাকীত্ব পরিবারের দাবি, বিগত ৪-৫ বছর ধরে তিনি চরম ডিপ্রেশনে ছিলেন এবং চিকিৎসকের চিকিৎসাধীন ছিলেন। ইদানিং নিজেকে ঘরের মধ্যে এক প্রকার বন্দি রাখতেন।

এলাকায় চাঞ্চল্য ও উঠা প্রশ্ন

রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে এই ঘটনার পর থেকে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। কেবল মানসিক অবসাদ ও বৈবাহিক বিবাদের কারণেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত, নাকি এই মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনো মানসিক বা রাজনৈতিক চাপ ছিল—তা খতিয়ে দেখতে সব দিক খোলা রেখে তদন্ত শুরু করেছে রামপুরহাট থানার পুলিশ।

Scroll to Top