• Home
  • দেশ
  • আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের পর যুদ্ধ বন্ধের অনুরোধ নিয়ে নেতানিয়াহুকে ফোন মোদির

আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের পর যুদ্ধ বন্ধের অনুরোধ নিয়ে নেতানিয়াহুকে ফোন মোদির

Image

দেবজিৎ মুখার্জি: আমেরিকা ও ইসরাইলকে তাদের হামলার জবাব দিতে আগ্রাসী রূপ ধারণ করেছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যে এই মুহূর্তে রীতিমতো আগুন জ্বলছে। এমন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি দেখে আগেই চিন্তা প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার রাতে জরুরি বৈঠক করেন তিনি। এরপর তিনি প্রথমে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট এবং এরপর ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। আমিরশাহীতে হওয়া হামলার নিন্দা জানান এবং যুদ্ধ বন্ধের আর্জি জানান বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে।

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুদের যৌথ হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এর জেরে মিডিল ইস্ট রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে। এরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রবিবার রাতে বৈঠক করেন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর পাশাপাশি আলোচনা হয় দেশের ডিপ্লোম্যাটিক পজিশন নিয়ে। এছাড়া আরো বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। জরুরি বৈঠক শেষ হওয়ার পরই তিনি ফোনে কথা বলেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সাথে।

ইরানের তরফ থেকে যে হামলা চালানো হয়েছে, তার নিন্দা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। পাশাপাশি, আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান সেখানে থাকা ভারতীয়দের সিকিউরিটি নিশ্চিত করার জন্য। সমাজমাধ্যমে তা শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমি কথা বলেছি আমার ভাই শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সাথে। তাদের উপর হওয়া হামলার নিন্দা জানাই এবং যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের প্রতি সমবেদনা। এমন শোচনীয় মুহূর্তে আমিরশাহীর সঙ্গে সলিডারিটি প্রকাশ করে ভারত।”

আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কথা বলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে। সেটিও তিনি সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, “বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা হয়েছে এবং বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বর্তমান রিজিওনাল কন্ডিশন নিয়ে। বর্তমানে যা অবস্থা চলছে, তা নিয়ে ভারতের চিন্তার কথা জানানো হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলেছি। এই যুদ্ধ বন্ধ করার আর্জি জানানো হয়েছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।” এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কি হয়। কোনদিকে পরিস্থিতি এগোচ্ছে, সেদিকেই এখন নজর ভারত সহ গোটা বিশ্বের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top