দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এসআইআরকে কেন্দ্র করে তোলপাড় অব্যাহত ভোটমুখী বাংলায়। প্রতিনিয়তই এই ব্যাপারে কেন্দ্র নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে চলেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার মঞ্চ থেকে ফের এর প্রসঙ্গ তুলে কমিশনকে একহাত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, সকলকে এক হয়ে প্রতিবাদ করার কথাও বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ঘোষণা হওয়ার আগে থেকেই এই ব্যাপারে আওয়াজ তুলেছিল ঘাসফুল শিবির। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন এসআইআরের মাধ্যমে এনআরসি করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দেন যে কোনও বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়লে বড়সড় আন্দোলনের পথে হাঁটা হবে। দলের সাংসদরাও সংসদে এর বিরোধিতা করেছেন।
তবে রাজ্যে এসআইআর চালু হওয়ার পর থেকেই চলছে তোলপাড়। একের পর এক ব্যক্তি এর আতঙ্কে মারা যাওয়ায় বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও গেরুয়া শিবির সেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং পাল্টা দোষারোপ করেছে রাজ্য সরকারকে। এমনকি শুনানি পর্ব নিয়েও চলছে জোর রাজনৈতিক তরজা। শুধু তাই নয়, মাঝেমধ্যেই অশান্তির চিত্র উঠে আসছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে।
বৃহস্পতিবার কলকাতা বইমেলা উদ্বোধন করতে এসে ফের সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন যে এসআইআরের কারণে হয়রানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। জনপ্রিয় ব্যক্তিদের শুনানিতে ঢাকার প্রসঙ্গ তোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর বক্তব্য, “এর চেয়ে আর লজ্জাজনক কি হতে পারে যদি অমর্ত্য সেনকে প্রশ্ন করা হয় তাঁর মা-বাবার বয়সের পার্থক্য নিয়ে। ডাকা হয়েছে কবি জয় গোস্বামীকেও।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে মানুষের হয়রানি কাম্য নয় এবং সকলকে একজোট হয়ে প্রতিবাদের পথে হাঁটার কথাও বলেন।



By










