দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্মতলার ওই চ্যানেলে ধরনা কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক, তথা দলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক, কুনাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় সেই চত্বরে। চিন্তায় পড়ে যান তাঁর অনুগামী থেকে শুরু করে ঘাসফুল শিবিরের অন্যান্য কর্মী-সমর্থকরাও। এই পরিস্থিতিতে তাঁর পাশে দাঁড়ান তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বিজেপি। বলা ভালো, গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। ১০০রও কম আসন পেয়েছে তারা। ফলপ্রকাশের পর থেকেই নানাভাবে অস্বস্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। কখনো দলীয় নেতা-কর্মীদের উপর অত্যাচার, কখনো রাজ্য বা কেন্দ্রীয় এজেন্সিদের দিয়ে দলের নেতাদের উপর চাপ সৃষ্টি করা। এক কথায় বলতে গেলে, বর্তমানে চরম চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে গোটা দল।
এই আবহে রাজ্যের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মঙ্গলবার পথে নামলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসলেন তিনি সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতারা। এদিন দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল রীতিমত দেখার মতো। গোটা এলাকায় শোনা যাচ্ছিল ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। নানা কর্মসূচি সেরে দুপুরে সেখানে পৌঁছান কুণাল। তবে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন তিনি।
সেখানে উপস্থিত দলীয় নেতা-কর্মীরা দ্রুত বিশ্রামের আয়োজন করে দেন কুনাল ঘোষকে। এগিয়ে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। যা ছিল হাতের সামনে, তা দিয়েই তাঁকে দেখা যায় হাওয়া করতে। পাশাপাশি মাথায় হাত বুলিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজও নেন তৃণমূল সুপ্রিমো। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে যে চূড়ান্ত গরম, লম্বা সময় ধরে রোদে থাকা ও সারাদিন দৌড়ঝাঁপের কারণেই কুনাল ঘোষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার পর তিনি কিছুটা সুস্থ বোধ করেন। তবে ঘাসফুল শিবিরের অন্যতম প্রভাবশালী বিধায়ককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কিনা, সেই ব্যাপারে তখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।



By











