দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: দোরগোড়ায় ফলতায় উপনির্বাচন। তার আগে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন সেখানকার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা এফআইআর দায়ের করা হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে তিনি আদালতে যান। গ্রেফতারির আশঙ্কা থেকে তিনি মামলা দায়ের করেন রক্ষাকবচের আর্জিতে। দ্রুত শুনানির আবেদন জানান বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। মামলার শুনানি সম্ভাবনা রয়েছে সোমবার দুপুর দুটো নাগাদ।
প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনের আগে থেকেই শিরোনামে ছিলেন ফলতার দাপুটে তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। সেখানে ভোটের আগে পাঠানো হয় উত্তরপ্রদেশের অন্যতম দক্ষ পুলিশ আধিকারিক ‘সিংহম’ অজয় পাল শর্মাকে। তবে ভোটের আগে অজয় পাল শর্মার হুঁশিয়ারি সত্বেও তিনি বলেছিলেন ‘পুষ্পা ঝুকেগা নেহি’। এরপর থেকেই তিনি বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে আলোচনার পাত্র হয়ে ওঠেন। এরপর রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। গেরুয়া ঝড়ের রীতিমত উড়ে যায় ঘাসফুল শিবির।
তবে মাঝে বাতিল হয়ে যায় ফলতার ভোট। কমিশনের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে সেখানে ২১ তারিখ ভোট হবে এবং ফলপ্রকাশ হবে ২৪ তারিখ। ভোটের ফলপ্রকাশের পর কার্যত গৃহবন্দী হয়ে যান জাহাঙ্গির। সম্প্রতি, তাঁকে ফের ঢুকতে দেখা যায় নিজের দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে উপনির্বাচন নিয়ে তিনি চিন্তিত নন।
অন্যদিকে, গত শনিবার ফলতায় সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী এবং সেখান থেকে একহাত নেন জাহাঙ্গিরকে। পাশাপাশি, এও পরিষ্কার করে দেন যে ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসায় মানবাধিকার কমিশনের তরফ থেকে ১৯ জন কুখ্যাত অপরাধীদের তালিকায় নাম ছিল জাহাঙ্গির খানেরও। ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন। তারপরই রক্ষাকবচের আর্জি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন জাহাঙ্গির খান।



By










