দেবজিৎ মুখার্জি: ফের শীর্ষ আদালতে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলার শুনানি। এবার কী কারণে পিছোলো শুনানি? অসুস্থ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কপিল সিব্বাল। সেই কারণেই এমনটা হয়। যদিও আদালতের তরফ থেকে রাজি দেখানো হয়েছে আবেদনে। কবে হবে পরবর্তী শুনানি? সেটা হবে চলতি মাসের ১৮ তারিখে।
চলতি মাসের ৩ তারিখে মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে। কিন্তু তার আগেই রাজ্যের তরফ থেকে শীর্ষ আদালতে হলফনামা জমা দেওয়া হয় ইডির করা মামলা খারিজ করার আবেদন জানিয়ে। রাজ্যের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অধিকার নেই শীর্ষ আদালতে এই মামলা দায়ের করার। পাশাপাশি, এও দাবি করা হয় যে যেভাবে তল্লাশি চালানো হয়েছে, তা ঠিক ছিল না।
জানা গিয়েছে, হলফনামায়ের রাজ্য নাকি এটাও জানিয়েছে যে তল্লাশিতে বাধা সৃষ্টি করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো, বরং অনুমতি নিয়েই যাবতীয় নথি নিতে গিয়েছিলেন। তারপরই ইডির আইনজীবী সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা সময় চান সেই ফলকনামা দেখার এবং হলফনামা দেওয়ার জন্য। আজ শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বাল অসুস্থ বলে তা পিছিয়ে গেল।
প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার মামলার তদন্ত করতে আইপ্যাক ও তার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। খবর জানাজানি হতেই দুই জায়গাতেই ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেশকিছু ফাইল ও নথি নিয়ে বেরিয়ে আসেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে, কেন্দ্রের নির্দেশে, গোপন নথি চুরির অভিযোগ তোলেন।
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয় ইডির তরফ থেকে। একে অপরের দিকে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের আঙুল তোলে ঘাসফুল ও গেরুয়া শিবির। পথে নেমেও এর প্রতিবাদ জানান তৃণমূল সুপ্রিমো ও দলের অন্যান্য নেতারা। মামলার জল গড়িয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট, দুই আদালত পর্যন্তই। এবার দেখার আগে কি হয়।



By










