দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “দিল্লির সরকার ফেলে দেব” ধরনা মঞ্চ থেকে বড় হুঁশিয়ারি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, চন্দ্রবাবু নাইডুর দয়ায় কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি এবং অতিরিক্ত কিছু করলে তাদের সরকার ফেলে দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, গেরুয়া শিবিরকে সাবধান করে তিনি আরো জানান যে জনগণের চেয়ে বড় খবর আর কেউ রাখতে পারে না।
সম্প্রতি, প্রকাশিত হয়েছে এসআইআরের অসমাপ্ত চূড়ান্ত তালিকা। তাতে দেখা গিয়েছে যে বাদ গিয়েছে প্রায় ৬৪ লক্ষ ভোটারের নাম। এখানেই শেষ নয়, আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় রয়েছেন ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটার। বিষয়টি জনসম্মুখে আসতেই তীব্র কটাক্ষ করা হয় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের তরফ থেকে ঘোষণা করে দেওয়া হয় যে শুক্রবার, ৬ মার্চ, প্রতিবাদ জানাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য প্রভাবশালী নেতারা ধর্মতলায় ধরনায় বসবেন।
ঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চে উপস্থিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন দলের একাধিক প্রভাবশালী নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। মঞ্চ থেকে তিনি গেরুয়া শিবির ও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেন। শনিবার ধরনার দ্বিতীয় দিন। এদিনও মঞ্চ থেকে একের পর এক ইস্যু তুলে বিজেপিকে আক্রমণ করেন। পাশাপাশি, সরকারও ফেলে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অহংকার কিসের এত? এই সরকার চন্দ্রবাবু নাইডুর দয়ায় টিকে রয়েছে। জ্বলছে টিমটিম করে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে ফেলে দেওয়া হবে দিল্লির সরকার।” গেরুয়া শিবিরকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “সাবধান বিজেপি। বড় খবর জনগণের চেয়ে আর কেউ রাখতে পারে না।” পাশাপাশি, নীতিশ কুমারের প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি। তৃণমূল সুপ্রিমোর বক্তব্য, “বেচারা নীতিশ কুমার। বিজেপির খপ্পরে যে গেছে, সেই গেছে।” এবার দেখার বিষয় যে এই ব্যাপারে আগামীদিনে আর কি হয়।



By










