দেবজিৎ মুখার্জি, মুর্শিদাবাদ: ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্য ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারির পর আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরের বাড়িতে পুলিশ। দুটি আলাদা মামলায় তলব করা হয়েছে তাঁকে। যদিও তিনি দাবি করেছেন যে তিনি এই ব্যাপারে কিছু জানেন না এবং নোটিশ হাতে পেলে ভাববেন যে তিনি হাজিরা দেবেন কি দেবেন না। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে।
সম্প্রতি এক জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি নেতাদের মারধরের হুঁশিয়ারি দেন হুমায়ুন কবির। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিধানসভার অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদে মুখর হন কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক উৎপল মহারাজ এবং পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ। এরপর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এজেইউপি বিধায়ককে পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন। পাশাপাশি পুলিশকেও পদক্ষেপের নির্দেশ দেন। যদিও হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন এবং পরিষ্কার করে দেন যে তিনি গ্রেফতারি বা কোনও আইনি পদক্ষেপকে ভয় পাচ্ছেন না।
শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারির পর মঙ্গলবার সকালে হুমায়ুনের বাড়িতে যায় পুলিশ এবং নোটিস দেওয়া হয় দুটি মামলায় হাজিরার জন্য। তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৩ ও ৫ জুলাই থানায় হাজিরা দেওয়ার। এই প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন, “আমি নেই বাড়িতে। তবে লোক রয়েছে ওখানে। ঠিক জানতে পারব নোটিস পেলে। তারপর ভাবব হাজিরা নিয়ে। কিন্তু দাসত্ব করব না কারও।” প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় সোমবার রাতেই রেজিনগর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় দুজনকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত আমিনুল রেজিনগরের লোকনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং গোলাম মোস্তাফা কাশীপুর এলাকারই। তিনি পুলিশের অনুমতি চেয়েছিলেন সভার আয়োজনের জন্য।



By










