পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টি এবং দামোদর নদীসহ তার উপনদীগুলোর জলস্তর বৃদ্ধির কারণে বন্যার শঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে। এনডিআরএফ, সেচ দফতর ও জেলা প্রশাসন তৎপর হয়ে নদীতীরবর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে।
বৃষ্টিপাত ও নদীর জলছাড়ার অবস্থা
- বঙ্গোপসাগরে তৈরি দুটি ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
- দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে ৯৬,৯০০ কিউসেক জল ছাড়ার ঘটনায় দামোদরের নিম্ন অববাহিকার ৩টি জেলা—পূর্ব বর্ধমান, হুগলি ও হাওড়া—বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
- ঝাড়খণ্ডের মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকেও জলছাড়া অব্যাহত থাকায় জলস্তর বেড়ে যেতে পারে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও পরিস্থিতি
- পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর, রায়না ও খণ্ডঘোষ ব্লকের নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা।
- হুগলির আরামবাগ, খানাকুল ও পুরশুড়া এলাকার বিস্তীর্ণ গ্রাম জলমগ্ন হওয়ার সম্ভাবনা।
- হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর ও আমতা ব্লকের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- বাঁকুড়া, সোনামুখী, হাওড়া ও দুর্গাপুর এলাকার চাষাবাদ ও বসতিপুর অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে।
উদ্ধার ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি
- নদী তীরবর্তী মানুষের নিরাপদ আশ্রয় ও ত্রাণ শিবির গড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- সেচ দফতর নদীর বাঁধ ও জলস্তর নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি করছে।
- দামোদর নদীর নিম্ন অববাহিকার বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ও উদ্ধারকার্য জোরদার করা হয়েছে।
অতীতের জলছাড়া পরিস্থিতি
- ২০২৪ সালের অগস্টে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে রেকর্ড পরিমাণ জল ছাড়া হয়েছিল।
- ২০২৫ সালে একই সময় জলছাড়ার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ছিল, তবে ঝড়ের ধাক্কায় পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হতে পারে।



By










