দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ড ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা একেবারে অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে কয়েকদিনের মধ্যে। তার উপর একের পর এক দেহাংশ উদ্ধার বা মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলা, বিষয়টি আরো স্পর্শকাতর করে তুলেছে। ইতিমধ্যেই, বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য সরকারকে। প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। যদিও প্রশাসনের তরফ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার অনুগামীদের সঙ্গে নিয়ে পথে নেমে ঘটনার প্রতিবাদ জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আদালতের নির্দেশ মেনে তাঁর তরফ থেকে করা হয় মিছিল। তবে এরই মাঝে ওঠে এক বড় অভিযোগ। কী সেই অভিযোগ? বিজেপি বিধায়কের মিছিলে বাজে ডিজে, যা ঘিরে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। স্থানীয় তৃণমূল নেতারা এর তীব্র নিন্দা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, “বিজেপির এটাই সংস্কৃতি।”
প্রসঙ্গত, আদালত শর্তসাপেক্ষ অনুমতি দেয় শুভেন্দু অধিকারীকে মিছিল করার। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ মিছিলের রুট কী হবে, তা বলে দেন। তিনি জানিয়েছিলেন, শুভেন্দু অধিকারী লোকবল নিয়ে মিছিল করতে পারবেন নরেন্দ্রপুর থানা অবধি গড়িয়া শীতলা মন্দির বা শহিদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন থেকে বাঁদিকের রাস্তা দিয়ে বাইপাস হয়ে। তবে যাওয়া যাবে পুলিশ স্টেশনের ২০০ মিটার আগে পর্যন্ত। মিছিলে কর্মী-সমর্থকদের সংখ্যা ২০০০এর বেশি হওয়া যাবে না। এছাড়া শুধু ৫ জন স্মারকলিপি জমা দিতে পারবেন থানায়।
উল্লেখ্য, এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ডেকোরেটার্সের কর্ণধার গঙ্গাধর দাসের পর গ্রেফতার করা হয়েছে মোমো সংস্থার দুই আধিকারিককে – ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট এবং ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক রিপোর্ট পর্যন্ত জমা দেওয়া হয়েছে দমকল ও ফরেনসিকের তরফ থেকে। তবে প্রয়োজন পড়লে ফের ফরেনসিক ডাকা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।



By










