দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আরো চাপ বাড়লো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার ‘ডিজে মন্তব্য’ মামলায় তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছান সিআইডি আধিকারিকরা। যদিও তার আগেই বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শুধু তাই নয়, নানা প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে।
সম্প্রতি তৃণমূলের যুবরাজের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায়। পাশাপাশি অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে করা মন্তব্য নিয়েও। তার ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত পুলিশ শুরু করলেও, এখন সিআইডির হাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নোটিস পৌঁছে দিতে শুক্রবার সিআইডির কয়েকজন আধিকারিক বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছান। কিন্তু তিনি না থাকায় সেই কাজ শেষ করা যায়নি। এরপরও আধিকারিকরা কিছুক্ষন বাড়ির সামনে অপেক্ষা করেন।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের ১৮তম বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে লাগাতার চাপের মুখে পড়ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কখনো বাড়ি ভাঙার নোটিশ, কখনও সই জাল কাণ্ডে সিআইডি তলব, তো কখনো আবার তাঁর বাড়িতে ইডি হানা। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি সোনারপুরে মৃত দলীয় কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে চরম বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। জখম পর্যন্ত হয়েছিলেন ঘটনায়। সবমিলিয়ে, এক চরম দুঃসময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তিনি সহ গোটা ঘাসফুল শিবির।
বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে এমনও কথাবার্তা চলছে যে শীঘ্রই হয়তো গ্রেফতার হতে পারেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার দেখার বিষয় যে কিভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করেন তিনি ও গোটা দল। কী হতে চলেছে ঘাসফুল শিবিরের সেনাপতির পরিণতি? এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে। সেক্ষেত্রে এবার দেখার বিষয় যে আগে কি হয়।



By










