নিউজ ডেস্ক: দেখতে দেখতে তিন দশকেরও বেশি সময়ের পর বঙ্গবন্ধুর দেশে, অর্থাৎ বাংলাদেশে, শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, ৩৫ বছর পর। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ভারতে চলে যাওয়ার পর নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই আগ্রহ অন্য মাত্রার ছিল সমগ্র দেশবাসীর। আজ ইতিমধ্যেই অনেকে ভোট দিয়ে ফেলেছেন।
তবে ভোটের আগের রাতে অশান্তির চিত্র দেখা গিয়েছে বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া এলাকায়। সেখানে সংঘর্ষে জড়ান বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামির নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে, ভোটের আগেরদিনও এক হিন্দু সম্প্রদায়ের যুবককে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর মৃতদেহ পাওয়া গেছে চাম্পা এলাকার এক চা বাগানের ফ্যাক্টরির সামনে থেকে। ঘটনাকে ঘিরে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে গোটা এলাকায়।
বাগেরহাট সদর উপজেলার ঘটনায় বুধবার রাত দশটা নাগাদ অশান্তি লাগে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামির নেতা-কর্মীদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে। বিএনপির বিরুদ্ধে টাকা দেওয়ার অভিযোগ তোলে জামাত। তাঁদের অভিযোগ, ভোটারদের মধ্যে টাকা বিলি করতে বেরিয়েছিলেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৬ জন আঘাত পেয়েছেন।
অন্যদিকে, বুধবার সকালে রতন সাহুকার নামে এক ২৮ বছর বয়সী যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে ইসলামপুর ইউনিয়নের চম্পারাই চা বাগানের ফ্যাক্টরির সামনে থেকে। ঘটনা প্রসঙ্গে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোবেল চাকমা বলেন, “বাগানের শ্রমিকরা দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে জানায় এবং সেখানে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর হাত-পা বাঁধা ছিল। ক্ষতচিহ্ন ছিল গলাতেও।” যদিও ঘটনায় তাদের হাত রয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। তবে মৃত রতনের সহকর্মীদের অভিযোগ, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। তাঁর দাদার বক্তব্য, মঙ্গলবার রাত থেকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না রতনকে এবং সকালে তাঁর দেহ মেলে। এবার দেখার বিষয় নির্বাচনের পর এই জাতীয় ঘটনা ঘটা থামে কিনা।



By














