• Home
  • জেলার খবর
  • “বাস মালিকদের প্রভাবিত করেছে” স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের আগে বিস্ফোরক অভিযোগ আশা কর্মীদের

“বাস মালিকদের প্রভাবিত করেছে” স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের আগে বিস্ফোরক অভিযোগ আশা কর্মীদের

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, বাঁকুড়া: স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের আগে শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আশা কর্মীদের। রাজ্য সরকারের ইশারায় নাকি বাস মালিকরা তাঁদের নিয়ে যাচ্ছেন না কলকাতায়। প্রতিবাদ জানাতে বুধবার সকালে তাঁদের তরফ থেকে অবরোধ করা হয় খাতড়ার পাম্প মোড়ে। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

বুধবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে নামার কথা আশা কর্মীদের। ইতিমধ্যেই মঙ্গলবার রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আশা কর্মীদের অনুরোধ করেছেন কোন রাজনৈতিক দলের ফাঁদে পা না দেওয়ার। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে তিনি এই আশ্বাসও দিয়েছেন যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক সময়ে সবকিছুর উপর নজর দেন এবং আগামীদিনেও দেবেন। পাশাপাশি, তুলনা টানেন বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বেতনের। 

কিন্তু তাতেও চিড়ে ভেজেনি। নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় আশা কর্মীরা। তবে এই বড় কর্মসূচির আগে তাঁরা শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুললেন। তাঁদের বক্তব্য, ঘাসফুল শিবির প্রভাবিত করেছে বাস মালিকদের এবং সেই কারণেই তাঁদের কলকাতায় নিয়ে যাচ্ছে না কোনও বাস। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, তাঁরা পথ অবরোধ করেছেন খাতড়ার পাম্প মোড়ে। যদিও আশা কর্মীদের তোলা এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। একই চিত্র ধরা পড়েছে বড়জোড়া ব্লকের বেলিয়াতোড়েও। সেখানেও শাসকদলের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলে বাঁকুড়া-দুর্গাপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ করেছেন আশা কর্মীদের একাংশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছেন, “কোন রাজনৈতিক দল নিজেদের স্বার্থে আশাকর্মীদের ব্যবহার করছে। এটি কেন্দ্রীয় প্রকল্প। কিন্তু তারা টাকা দেয় না। বেশিরভাগ খরচ রাজ্য সরকারই দেয়। ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দফায় দফায় ভাতা বাড়িয়েছেন কর্মীদের। বর্তমানে ৫ হাজার ২৫০ টাকা যে ভাতা দেওয়া হয়, তা পুরোটাই রাজ্য বাজেট থেকে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৩ সালে ৮০০ থেকে ভাতা ১৩০০ টাকা করেছেন। আরো ২০০ টাকা সেই বছরেই বাড়ানো হয়। তা বেড়ে গিয়ে দু’হাজার টাকা হয় ১৭ সালে। ১৮ সালে সেটা ৩০০০ হয়। এখন সেটা বেড়ে হয়েছে ৫ হাজার ২৫০ টাকা।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top