রাজ্যের একাধিক জেলায় অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojna Scheme) প্রাপ্য টাকা ব্যাংকে না ঢোকায় তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বঞ্চিত উপভোক্তারা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বিক্ষোভে তোলপাড় পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক স্থানে মহকুমা শাসকের (SDO Office) কার্যালয় ঘেরাও ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ মহিলারা।
উপভোক্তাদের মূল প্রশ্ন— সমস্ত নথিপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া সত্ত্বেও এবং বিগত দিনে সরকারি সুবিধা পাওয়া সত্ত্বেও কেন তাঁদের অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ৩,০০০ টাকা আটকে রাখা হলো?
জেলা ভিত্তিক বিক্ষোভের ভয়াবহ চিত্র
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যের জেলায় জেলায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে উপচে পড়ে ভিড়।
- বালুরঘাট ও মালদহ: বালুরঘাটে এসডিও অফিসের দরজায় চড়-কিল মেরে ঢোকার চেষ্টা করেন মহিলারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাসের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। ইংলিশবাজার পুরসভাতেও দীর্ঘ লাইনে হয়রানির প্রতিবাদে শত শত মহিলা বিক্ষোভ দেখান।
- আসানসোল ও রঘুনাথপুর: আসানসোল মহকুমা শাসকের দপ্তরে বিক্ষোভের পর মাইকিং করে অনলাইনে অভিযোগ জানানোর বার্তা দেয় প্রশাসন। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে যান চলাচল স্তব্ধ করা হয়।
- যশোর রোড স্তব্ধ: মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় সোদপুর রোড ও যশোর রোড অবরোধের জেরে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। পরবর্তীতে পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসারের ঘর ঘেরাও করেন মহিলারা।
প্রশাসনিক জটিলতা ও উপভোক্তাদের হয়রানি
বিক্ষোভকারীদের দাবি, বাড়ি ৩টি ঘর থাকার অহেতুক অজুহাত দেখিয়ে তালিকা থেকে নাম বাতিল করা হচ্ছে। যৌথ পরিবারে একাধিক ঘর থাকা স্বত্বেও তাঁদের আর্থিক অবস্থাকে ধনাঢ্য হিসেবে বিবেচনা করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
________



By












