নিউজ ডেস্ক: এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের যুদ্ধ। এই সংঘাত ব্যাপক তোলপাড় ফেলেছে গোটা বিশ্বে। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, এই সংঘাত থামাতে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে বহু দেশের তরফ থেকে। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে, ততই উগ্র থেকে উগ্রতর হয়ে উঠছে এই যুদ্ধ। মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থা এই মুহূর্তে বেশ শোচনীয়।
এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরেন ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কার্টজ। তিনি জানান যে গত বছর নভেম্বর মাসে গোপন বৈঠক করা হয়েছিল এবং সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ২০২৬ সালে জুন মাসে অভিযান চালানো হবে। প্রথমে এই ব্যাপারে আমেরিকাকে কিছু বলা হয়নি। তিনি বলেন, “আমরা ঠিক করেছিলাম যে খামেনেইকে শেষ করা হবে। দরকারে একাই অভিযান চালানো হবে। আমাদের সেই ক্ষমতা রয়েছে একা এই অভিযান শেষ করার।”
তবে ডিসেম্বর মাসের শেষে যখন ইরানের জনতা সেখানকার প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন, তখন পরিস্থিতি পাল্টে যায়। অজস্র মানুষ পথে নেমেছিলেন। কার্টজের বক্তব্য অনুসারে, আমেরিকা ও ইসরাইল এই পরিস্থিতি দেখে সতর্ক হয়ে ওঠে। মনে করা হচ্ছিল যে ইরান দুই দেশের উপর অ্যাডভান্স হামলা করতে পারে। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করে এগিয়ে আনা হয় আক্রমণের দিনক্ষণ।
কার্টজ স্পষ্ট জানান, এবার যে হামলা চালানো হয়েছে, তা তিনগুণ বেশি শক্তিশালী গতবারের চেয়ে। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু ইরানের মিসাইল ডিপো বা নিউক্লিয়ার বেস ধ্বংস করা নয়, বরং এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করা যাতে সেখানকার সরকারকে ভেঙে দিতে পারে সেখানকার সাধারণ মানুষ।” নেতানিয়াহুর দেশের মন্ত্রীর বক্তব্য, “আমরা চাই এই শাসন খতম করুক ইরানের মানুষ। সেই রাস্তাটা আরো পরিষ্কার করে দেওয়া হচ্ছে আমাদের তরফ থেকে।” এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে কি হয়। প্রসঙ্গত, এই নিয়ে সপ্তম দিনে পড়েছে যুদ্ধ।



By














