দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রবিবার ভবানী ভবনে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও বেলেঘাটার বিধায়ক কুনাল ঘোষকে। যদিও ডায়মন্ড হারবার সাংসদের আগে ভবানী ভবন ছাড়েন কুনাল। অন্যদিকে প্রায় সাড়ে ৮ ঘন্টা পর সেখান থেকে বেরোন অভিষেক। তবে একটিও শব্দ খরচ করেননি তিনি। সোজা ওঠেন গাড়িতে এবং যান কালীঘাটে।
ভোট-পরবর্তী বঙ্গ রাজনীতি একাধিক ইস্যুতে উত্তপ্ত, যার মধ্যে অন্যতম ‘সই জাল কান্ড’। বিষয়টি জনসম্মুখে আসতেই জোর হইচই পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পাশাপাশি, অস্বস্তি আরো বেড়েছে ঘাসফুল শিবিরের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে এই ব্যাপারে লাগাতার আক্রমণ করে চলেছে গেরুয়া শিবির। যদিও তাদের তরফ থেকেও পাল্টা দেওয়া হয়েছে।
তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে সিআইডির তরফ থেকে নেওয়া হয় একের পর এক বড় পদক্ষেপ। তৃণমূলের একাধিক বিধায়ককে নোটিশ পাঠানোর পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নোটিশ পাঠানো হয়। তাঁর হাজিরা না দেওয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। অবশেষে আদালতের নির্দেশে তিনি হাজিরা দেন। রবিবারও তাঁকে জেরা করা হয়। তাঁকে ও কুনাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হয় এদিন। প্রসঙ্গত, কুনাল ঘোষকেও রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা তলব করেছিল। তাঁকেও রবিবার হাজিরা দিতে বলা হয়। দুপুর নাগাদ তিনি পৌঁছেন ভবানী ভবনে।
তবে ভবানী ভবন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা পর বেরোন বেলেঘাটার বিধায়ক। সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন যে তদন্তের জন্য তাঁকে ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়েছে এবং তিনি সহযোগিতা করেছেন। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেখান থেকে বেরোন প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা পর। তবে সাংবাদিকদের কিছু জানাননি। সোজা গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যান কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে বৈঠকে যোগ দিতে।



By










