• Home
  • জেলার খবর
  • “অপরাধীরা যদি ধরা না পড়ে……” সুখেন মাহাতোর বাড়ি থেকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

“অপরাধীরা যদি ধরা না পড়ে……” সুখেন মাহাতোর বাড়ি থেকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, পুরুলিয়া: পুনেতে হত্যা হওয়া পুরুলিয়ার পরিযায়ী শ্রমিক সুখেন মাহাতোর বাড়িতে গেলেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তথা ডায়মন্ড হারবার সাংসদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাঁদের সাহায্যের আশ্বাস দেন ঘাসফুল শিবিরের সেনাপতি। শুধু তাই নয়, তাঁর যেই দুই ভাই পুনেতে কাজ করেন, তাঁরা আর সেখানে ফিরে যেতে চান না এই ঘটনার পর। তাই সুখেন মাহাতোর দুই ভাইয়ের চাকরির জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন করবেন বলেও তিনি আশ্বাস দেন। 

সুখেন মাহাতোর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওই কোম্পানিতে ২০০৯ সাল থেকে নিহত ও তাঁর দুই ভাই কাজ করছেন। রোজ সাড়ে তিনটের শিফ্ট থাকতো নিহতের। সেদিন কাজে যাবে বলে তিনটে নাগাদ বেরিয়েছিল। সন্ধ্যায় সুখেনকে ফোন করেন দাদা। তখন ফোনে পাননি। পরে পুলিশ ফোন করে জানায় যে সুখেন মাহাতো অসুস্থ। গিয়ে দেহ দেখতে পান দাদা। শরীরের বেশ কয়েকটি জায়গায় ক্ষতচিহ্ন। তাতেই পরিষ্কার যে খুন করা হয়েছে। কিভাবে মৃত্যু হয়েছে, সেটা বলতে পারবো না। তবে আমি বিশ্বাস করি যে তদন্ত করলে আসল তথ্য উঠে আসবে।”

তিনি আরো বলেন, “আমি শুনেছি গ্রেফতার করা হয়েছে একজনকে। আরো একজন যুক্ত রয়েছে। আমাদের এটা নিশ্চিত করতে হবে যে যাদের জেল হয়েছে, তারা যেন বেল না পায়। দরকার হলে হাই কোর্ট বা সুপ্রিম কোর্ট যাব। অপরাধীদের শাস্তি দিতেই হবে। দেহ পুনে থেকে ফেরানো নিয়ে সমস্যা হয়। একবার বলছে ময়না দন্ত হবে, আবার একবার বলছে থানায় যেতে হবে। আমরা খবর পেয়েই অভিভাবকদের মতো ওনার দাদার পাশে দাঁড়াই। অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয় দেহ ফেরানোর জন্য। কিভাবে মৃত্যু হয়েছে, তা বলতে পারব না। তবে আমার বিশ্বাস সঠিক তদন্ত হলে আসল তথ্য বেরিয়ে আসবে।”

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুঁশিয়ারি, “আগামী ১০ দিনের মধ্যে যদি অপরাধীরা ধরা না পড়ে, তাহলে মহারাষ্ট্রে পাঠানো হবে ৬-৭ জনের প্রতিনিধি দল।” পাশাপাশি, বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় মাহাতোকে ঘাসফুল শিবিরের সেনাপতি অন্তত একবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করে হত্যার তদন্তের দাবি জানানোর অনুরোধ করেন। অন্যদিকে, সুখেন মাহাতোর ভাইরা এই ঘটনার পর সেখানে কাজে ফিরে যেতে চান না, তাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চাকরির আবেদন করবেন। এছাড়া শনিবার জেলার প্রতিটি বিধানসভায় মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে এই হত্যার প্রতিবাদ জানাতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top