দেবজিৎ মুখার্জি: কেন্দ্রকে বড় হুঁশিয়ারি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র। প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের তরফ থেকে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে যে আগামী ১৩ জুনের মধ্যে যদি পদত্যাগ না করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, তাহলে দেশের নানা রাজ্য ও শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করা হবে। রবিবার তিনি এও পরিষ্কার করে দেন যে তাঁদের আন্দোলনের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই নেপাল ও বাংলাদেশে হওয়া ‘জেন জি’ আন্দোলনের।
বর্তমানে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় ককরোচ জনতা পার্টি নামক যুব রাজনৈতিক আন্দোলন। গত শনিবার, ৬ জুন, দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে করা আন্দোলন ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে গোটা দেশে। বলা ভালো, দারুণ সাড়া মিলেছে দেশজুড়ে। যেভাবে রাজধানীতে দাঁড়িয়ে এমন জোরদার আন্দোলন করা হয়েছে, তার প্রশংসা করেছেন অনেকে।
রবিবার প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের তরফ থেকে সাফ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় যে আগামী ১৩ জুনের মধ্যে যদি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করেন, তাহলে দেশের নানা রাজ্য ও শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করা হবে। শুধু তাই নয়, এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এও পরিষ্কার করে দেন যে তাঁদের আন্দোলনের সাথে বাংলাদেশ ও নেপালে হওয়া ‘জেন জি’ আন্দোলনের তুলনা চলে না। বরং তা শান্তিপূর্ণ এবং কোনও সম্পর্ক নেই কোনও রাজনৈতিক দলের সাথে। তাঁর সাফ কথা, তাঁরা শুধু কাজ করছেন ‘জেন জি’ প্রজন্মের জন্য।
প্রসঙ্গত, যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীরা আওয়াজ তোলেন নিট কেলেঙ্কারি সহ শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তাঁদের হুঁশিয়ারি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে যদি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করেন, তাহলে সারা দেশে বিশাল আন্দোলন হবে। যদিও শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নয়, আরও একাধিক দাবি রয়েছে তাঁদের। মোট ৫টি দাবি তোলা হয়েছে তাঁদের তরফ থেকে।
কী সেই দাবিগুলি? কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পাশাপাশি তাঁদের দাবি, সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন, স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা মণিপুরে, নজর দেওয়া শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর এবং স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়। আন্দোলনের অনুমতি দেওয়া হলেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। এবার দেখার যে শেষ পর্যন্ত এই আন্দোলনের পরিণতি কি হয়। জল কতদূর গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।



By











