দেবজিৎ মুখার্জি: রবিবার বাংলা সহ গোটা ভারতবর্ষ সাক্ষী হল এক নয়া রাজনৈতিক অধ্যায়ের। আইনি প্যাঁচ এড়াতে এবার বড় চাললো তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ শিবির। বলা ভালো, রীতিমতো মাস্টারস্ট্রোক দিল তারা। ত্রিপুরার, বছর চারেক আগে গঠিত দল, ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়ায় (এনসিপিআই) মিশছেন তাঁরা। রাজনৈতিক মহলে এখন বিষয়টি নিয়ে যেজোর আলোচনা চলছে, তা বলাই বাহুল্য। শুধু তাই নয়, তাঁদের এই পদক্ষেপ ঠিক কি ভুল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এদিন বিদ্রোহী শিবিরের তরফ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে আবেদন জানানো হয়েছে। সাংসদদের বক্তব্য, বাংলায় এনসিপিআইয়ের পার্টি অফিস খোলা হবে। এক্ষেত্রে বলে রাখা প্রয়োজন, বাংলায় এই রাজনৈতিক দলটির পার্টি অফিস রয়েছে হাওড়ার বাঁকড়ায়। স্পিকারকে চিঠি দিয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার নিজের অবস্থানে এনডিএর সাথে কাজ করার কথা জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “দেশের জন্যে এনডিএর সাথে কাজ করব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে।”
বিদ্রোহী সাংসদদের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে যেমন চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, তেমনি হচ্ছে সমালোচনাও। বেলেঘাটার বিধায়ক কুনাল ঘোষ তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, “আমরা জানি না তারা কোন দলে যোগ দিতে যাচ্ছে বা কার সঙ্গে জোট বাঁধছে। তাঁরা বিজেপি-বিরোধী ভোটে জিতেছিলেন।” তাঁর সংযোজন, “দিল্লিতে যে ভোটাররা তাঁদের সংসদে পাঠিয়েছিলেন, তাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধেই ভোট দিয়েছিলেন। তাই, তাঁরা যদি এখন বিজেপি শিবিরে যোগ দেন, তবে তা সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা ছাড়া আর কিছুই নয়। এর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সম্পর্ক নেই। এটা প্রত্যেকটি ভোটারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”



By










