সঙ্গীতের জগতে ভালোবাসার অনেক ধরণ আমরা দেখেছি। কিন্তু প্রিয় গায়কের প্রতি ভক্তি যখন ঈশ্বরের ভালোবাসাকে স্পর্শ করে, তখন সৃষ্টি হয় এক অবিশ্বাস্য ইতিহাস। এটি কোনো বানানো গল্প নয়, সত্যি। এক চরম রফি-প্রেমিক ভক্তের পাগলামি আজ এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা দেখলে বা শুনলে অবাক না হয়ে উপায় নেই!
দুই কামরার ঘরে রফি পূজো: উমেশ মাখিজার অভাবনীয় কাণ্ড
এই অবিশ্বাস্য কাণ্ডটি ঘটিয়েছেন উমেশ মাখিজা (Umesh Makhija)। নিজের দুই কামরার ছোট্ট ঘরের একটি কামড়াকে তিনি স্রেফ নিজের প্রিয় গায়কের নামে উৎসর্গ করেছেন। শুধু ভালোবাসাই নয়, উমেশ তার প্রিয় গায়ক মোহাম্মদ রফিকে মানুষ থেকে একেবারে মন্দিরের দেবতায় রূপান্তর করে ছেড়েছেন!
এখানেই শেষ নয়, সেই ঘরে বা মন্দিরে প্রতিদিন নিয়ম করে রফি সাহেবের পূজো হয়। সঙ্গীতের সুর যেখানে ঈশ্বরের আরাধনার রূপ নেয়, তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ উমেশ মাখিজার এই উদ্যোগ।
বিশ্বজুড়ে রফি প্রেমের জোয়ার: বার্মিংহাম থেকে কোটলা সুলতান সিং
উমেশ মাখিজা কিন্তু এই যাত্রায় একলা নন। বিশ্বজুড়ে মোহাম্মদ রফির কোটি কোটি অনুরাগী ছড়িয়ে আছেন।
-
বার্মিংহামের রফি মন্দির: সুদূর বার্মিংহামেও এক ভক্ত রফি সাহেবের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকে একটি মন্দির গড়ে তুলেছেন।
-
কোটলা সুলতান সিং: অমৃতসর থেকে সামান্য দূরেই গায়কের জন্মস্থান কোটলা সুলতান সিং। সেখানে রফি সাহেবের ১০০ বছর পূর্তির বিশেষ দিনে তৈরি করা হয়েছে আরেকটি রফি মন্দির।
এক নজরে উমেশ মাখিজার পাঠানো বার্তা: সম্প্রতি উমেশ মাখিজা সরাসরি গুজরাট থেকে এই বিশেষ মন্দিরের একটি এক্সক্লুসিভ ভিডিও পাঠিয়েছেন, যা দেখলে যেকোনো সঙ্গীতপ্রেমীর চোখে জল চলে আসবে।
৩১শে জুলাই এবং তার পরবর্তী চমক
১৯৮০ সালের ৩১শে জুলাই এই মহান শিল্পী বিশ্ববাসীকে আলবিদা জানিয়ে চিরতরে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তার প্রয়াণবার্ষিকীর পর থেকেই একের পর এক অবিশ্বাস্য চমক সামনে আসতে শুরু করে। ভক্তদের এই আবেগ প্রমাণ করে—শিল্পী মরে যান, কিন্তু তার সুর ও ভক্তের ভালোবাসা চির অমলিন থাকে।
________



By














