দেবজিৎ মুখার্জি: “বাংলার প্রভাব পড়বে না” তৃণমূলের মেঘালয় ইউনিটেও ভাঙন ও দলের বিধায়কদের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা উড়িয়ে দিলেন রাজ্য তৃণমূল সভাপতি চার্লস পিংরোপ। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে যে বিদ্রোহ ও ভাঙন চলছে, তার জন্য চাপে পড়বে না তৃণমূলের মেঘালয় ইউনিট। শুধু তাই নয়, তিনি এই দাবিও করেন যে তাঁর দলের বিধায়কদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং কেউ বিজেপিতে যাচ্ছেন না। যদিও রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তথা বিরোধী দলনেতা, মুকুল এম সাংমা মনে করছেন যে এর একটা বিশ্রী প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে মেঘলয় সহ অন্যান্য রাজ্যের ইউনিটে।
সম্প্রতি শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। বিধানসভা থেকে শুরু করে লোকসভা, সবেতেই দেখা গিয়েছে ভাঙন। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় রাজনীতিতে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল যে এর জেরে মেঘালয় সহ অন্যান্য রাজ্যের ইউনিটে চাপ পড়বে কিনা। এবার তার জবাব দিলেন রাজ্য তৃণমূল সভাপতি চার্লস পিংরোপ। তাঁর মতে, এর জেরে চাপে পড়বে না মেঘালয় তৃণমূল।
চার্লসের দাবি, “আমরা স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের কাজ চালিয়ে যাব যতক্ষণ না আনুষ্ঠানিক নির্দেশ পাচ্ছি স্বীকৃত দলীয় নেতৃত্বের থেকে। কলকাতায় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গেও আমরা যোগাযোগ রাখছি।” দলের বিধায়কদের বিজেপিতে যোগদান জল্পনা উড়িয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে ৪ জন বিধায়কের কথা হয়েছে এবং তাঁরা কেউ ছাড়ছেন না দল। এই নিয়ে কথাও হয়নি দলের অন্দরে। পশ্চিমবঙ্গের ও মেঘালয়ের রাজনৈতিক আবহাওয়া পুরোপুরি আলাদা। অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য থাকলেও তৃণমূল দেশের অন্যতম বড় বিরোধী দল এবং তাদের শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে সংসদ ও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায়।” যদিও মুকুল সাংমা মনে করছেন যে পশ্চিমবঙ্গের প্রভাব পড়বে অন্যান্য রাজ্যের ইউনিটে।



By









