দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: যাবতীয় জল্পনার অবসান! চরম ধাক্কা খেলো তৃণমূল কংগ্রেস। ভেঙে চুরমার ঘাসফুল শিবির। ভোটের ফলপ্রকাশের একমাসও হয়নি আর তার আগে ভেঙ্গে তছনছ হয়ে গেল তৃণমূল। দু’টুকরো হয়ে গেল দল – আদি তৃণমূল এবং নব তৃণমূল ব্লক। এই নতুন তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপ-দলনেতার দায়িত্বে শিউলি সাহা, জাভেদ খান ও সন্দীপন সাহা। এদিন বিধানসভায় ৫৮ জন বিধায়কের সই নিয়ে প্রবেশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
কে হবেন বিরোধী দলনেতা? সেই সই নিয়ে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে ঘরে বড় ফাটল। ইতিমধ্যে সিআইডির তরফ থেকে নামা হয়েছে সই জালিয়াতি কান্ডের তদন্তে। দলের দুই বিধায়ক সন্দীপন সাহা ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অধ্যক্ষের কাছে এর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান। তারপরই প্রাক্তন শাসকদলের তরফ থেকে দুজনকে বহিষ্কৃত করা হয়। এরপরই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ৫৮ জন নব তৃণমূলের ব্লকের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বসম্মতিক্রমে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মেনে নেন। এদিন তাঁরা মিটিং করেন নিজেদের মধ্যে এবং এরপর অধ্যক্ষের কাছে জমা পড়ে তাঁদের সই করা চিঠি।
যদিও এই সমস্ত বিধায়ক কিন্তু তৈরি করেননি নতুন কোনও দল। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই তাঁরা মানছেন নিজেদের সর্বময় নেত্রী। কিন্তু প্রকৃত তৃণমূল ব্লক তাঁরাই এবং সংখ্যার দিক থেকে বিধানসভা এই ব্লককেই স্বীকৃতি দিচ্ছে। কারণ এখন আদি তৃণমূলের বিধায়কের সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ২২শে এবং নব তৃণমূল ব্লকের বিধায়কদের সংখ্যা ৫৮। এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে এই পর্বে আর কী দেখা যায়।



By










