দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “ঘরের মধ্যে ঘর করায় বিশ্বাসী” বিজেপি-আরএসএসকে একহাত নিলেন প্রাক্তন বামনেতা, তথা তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র, প্রতীক উর রহমান। কী বললেন তিনি? সই জাল কাণ্ড থেকে শুরু করে ঘাসফুল শিবিরের ভাঙন, সবেতেই তিনি দেখছেন গেরুয়া শিবিরের চক্রান্ত। যদিও প্রাক্তন শাসকদলের অন্যতম প্রভাবশালী মুখপাত্র মনে করিয়ে দেন যে রাজ্যে বিজেপি পেয়েছে ৪৫ শতাংশ ভোট এবং বাকি দলগুলি পিছে ৫৫ শতাংশ।
ভোট-পরবর্তী বঙ্গ রাজনীতি একাধিক ইস্যুতে উত্তপ্ত। তার উপর নয়া সংযোজন, সই জাল কাণ্ড। ঘটনা জনসম্মুখে আসতেই অস্বস্তি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। তার উপর পরিস্থিতি আরো স্পর্শকাতর করে তুলেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করা। বর্তমানে এর জল এই পর্যায়ে এসে গড়িয়েছে যে যেকোনও মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ভেঙে হতে পারে নতুন তৃণমূল। বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
এই গোটা পর্ব নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন প্রতীক উর রহমান। সবটার পেছনেই তিনি বিজেপির চক্রান্ত দেখছেন। তৃণমূল মুখপাত্রের বক্তব্য, “ঘরের মধ্যে ঘর করায় বিশ্বাসী বিজেপি-আরএসএস। ওরা সর্বত্র ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করে। সেটাই এখানেও চেষ্টা করছে।” এর সঙ্গে তিনি ভোট শতাংশের অঙ্ক নিয়ে সতর্ক করে দেন গেরুয়া শিবিরকে। প্রতীক বলেন, “তবে মনে রাখবেন, ওরা ৪৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে বাংলায়। বাকি ৫৫ শতাংশ ভোট কিন্তু পেয়েছে অন্য দলগুলো।”
এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কি হয়? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ভেঙে নতুন তৃণমূল উঠে আসে কিনা, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। তবে এমনটা হলে যে বঙ্গ রাজনীতির সমীকরণ পাল্টে যাবে, তা বলাই বাহুল্য। সেক্ষেত্রে দেখার যে আগে কি হয়। এক নতুন অধ্যায়ের সম্মুখীন হতে চলেছেন কিনা রাজ্যবাসী, এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে গোটা বাংলায়। কী হতে চলেছে এবার? তা বলবে সময়।



By










