• Home
  • জেলার খবর
  • “সেদিন সিপিএম ঠিক করেছিল” নাম না করে ঋতব্রতকে নিশানা মমতার

“সেদিন সিপিএম ঠিক করেছিল” নাম না করে ঋতব্রতকে নিশানা মমতার

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “সেদিন সিপিএম ঠিক করেছিল” নাম না করে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, তাঁর ভুল হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে টিকিট দিয়ে এবং সেদিন ঠিক করেছিল সিপিএম। শুধু তাই নয়, তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো এও স্বীকার করেন যে এই একটি ক্ষেত্রে তিনি তাদের প্রশংসা করেন। 

বর্তমানে একাধিক ইস্যুতে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি, যার মধ্যে অন্যতম বিধানসভায় সই বিতর্ক। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। তদন্তের জন্য ইতিমধ্যেই ঘাসফুল শিবিরের একাধিক বিধায়কের বাড়িতে হানা দিয়েছে সিআইডি। শুধু বিধায়ক নন, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছেন সিআইডির আধিকারিকরা। নানা প্রশ্ন এই মুহূর্তে ঘোরাফেরা করছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে ঘটনাটিকে নিয়ে। 

এই আবহে এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর তরফ থেকে জানানো হয় যে স্পিকারকে অভিযোগ জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা এবং তার ভিত্তিতেই বিধানসভার সচিবালয় অভিযোগ জানায় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। এখানেই শেষ নয়, এদিন মুখ্যমন্ত্রী এও জানান যে বিষয়টি পুলিশমন্ত্রী হিসেবে জানার পরই তিনি সিআইডিকে তদন্ত যুক্ত করার নির্দেশ দেন। 

শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যের কয়েক মিনিট পরই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের এই সিদ্ধান্তের পর নিজেদের অবস্থানে দুই বহিষ্কৃত বিধায়ক জানান, “১৯ তারিখ কালীঘাটের অফিসে সই করানো হয়েছিল যে অ্যাটেনডেন্স খাতায়, তারই পাতা ছিঁড়ে জমা দিয়ে রেজুলেশনের কাগজ বলে দাবি করা হয়েছিল। এ তো সম্পূর্ণ অনৈতিক। আজ দল বহিষ্কার করলো সেই কাজের প্রতিবাদ করেছি বলে।” দুই বিধায়কের তোপ, এর মানে দল সমর্থন করে অনৈতিক কাজকেই।

এই আবহে সোমবার ফেসবুক লাইভ করে একাধিক ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রমণ করেন বিজেপিকে। পাশাপাশি নাম না করে নিশানা করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন, “সিপিএম করতো। তাকে টিকিট দেওয়া আমাদের ভুল হয়েছে। এসে পড়েছিল পায়ে। সেদিন ঠিক করেছিল সিপিএম। আমি তাদের এই একটি ক্ষেত্রে প্রশংসা করি। তা সত্ত্বেও তাকে আমরা দুবার সাংসদ করেছি। তাকে হাওড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে অন্য লোকের টিকিট কেটে। যে বিশ্বাসঘাতকতা এরা করেছে, সেজন্য ক্ষমা করিনি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top