• Home
  • জেলার খবর
  • সই জাল কান্ড: সন্দীপন-ঋতব্রতকে বহিষ্কার তৃণমূলের

সই জাল কান্ড: সন্দীপন-ঋতব্রতকে বহিষ্কার তৃণমূলের

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সই জাল কান্ডে রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে দল বিরোধী কাজের অভিযোগ তুলে বহিষ্কার করা হলো উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক  ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই দলের তরফ থেকে স্পিকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে এই বিষয়ে। শুধু তাই নয়, বহিষ্কারের কথাও দুজনকে ইমেল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে একাধিক ইস্যুতে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি, যার মধ্যে অন্যতম বিধানসভায় সই বিতর্ক। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। তদন্তের জন্য ইতিমধ্যেই ঘাসফুল শিবিরের একাধিক বিধায়কের বাড়িতে হানা দিয়েছে সিআইডি। শুধু বিধায়ক নন, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছেন সিআইডির আধিকারিকরা। নানা প্রশ্ন এই মুহূর্তে ঘোরাফেরা করছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে ঘটনাটিকে নিয়ে। 

এই আবহে এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর তরফ থেকে জানানো হয় যে স্পিকারকে অভিযোগ জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা এবং তার ভিত্তিতেই বিধানসভার সচিবালয় অভিযোগ জানায় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। এখানেই শেষ নয়, এদিন মুখ্যমন্ত্রী এও জানান যে বিষয়টি পুলিশমন্ত্রী হিসেবে জানার পরই তিনি সিআইডিকে তদন্ত যুক্ত করার নির্দেশ দেন। 

শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যের কয়েক মিনিট পরই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের এই সিদ্ধান্তের পর নিজেদের অবস্থানে দুই বহিষ্কৃত বিধায়ক জানান, “১৯ তারিখ কালীঘাটের অফিসে সই করানো হয়েছিল যে অ্যাটেনডেন্স খাতায়, তারই পাতা ছিঁড়ে জমা দিয়ে রেজুলেশনের কাগজ বলে দাবি করা হয়েছিল। এ তো সম্পূর্ণ অনৈতিক। আজ দল বহিষ্কার করলো সেই কাজের প্রতিবাদ করেছি বলে।” দুই বিধায়কের তোপ, এর মানে দল সমর্থন করে অনৈতিক কাজকেই। এবার দেখার বিষয় যে ঘটনার জল কতদূর গড়ায়। তবে বহিষ্কৃত দুই বিধায়কের এই কীর্তির জেরে যে ঘাসফুল শিবিরের অস্বস্তি বেড়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top