দেবজিৎ মুখার্জি: এই মুহূর্তে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ। সম্প্রতি, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বিরোধীদের রাজনৈতিক আক্রমণ করার প্রতিবাদে এবার দেশের ৭০০ জন বিশিষ্ট নাগরিক সরব হলেন। চরম অস্বস্তিতে কেন্দ্র ও কমিশন প্রাক্তন আমলা, সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদদের সই করা এক অভিযোগপত্র কমিশনে জমা পড়ায়। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন দূরদর্শন ও আকাশবাণীর মতো গভারমেন্ট-ফান্ডেড মিডিয়াকে ব্যবহার করে বায়েস্ড প্রচার চালিয়ে।
আসল বিতর্কের সূত্রপাত মহিলা সংরক্ষণ বিল সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল খারিজ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে ঘিরে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের অভিযোগ, আধ ঘন্টার ভাষণে মোট ৫৯ বার কংগ্রেসের নাম নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, পরিষ্কারভাবে রাজনৈতিক প্রচার। এই ঘটনার গুরুত্ব আরো বেড়েছে বাংলা ও তামিলনাড়ুতে ভোট চলায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে বাম দলগুলির তরফ থেকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে যে পুরো অনৈতিক সরকারি যন্ত্রের এমন ব্যবহার। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তারকেশ্বরের জনসভা থেকে বিষয়টিকে ‘রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার’এর তকমা দেন এবং হুঁশিয়ারি দেন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার।
সুতরাং বলা যায় যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণ নিয়ে এখন নানা প্রশ্ন উঠছে। বিরোধীদের তরফ থেকে এর তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। এবার দেখার বিষয় যে কমিশনের তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোন কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া হয় কিনা ৭০০ নাগরিকের চিঠি জমার পর।



By












