জন্মের একশো বছর পার করেও বাঙালি মননে উত্তম কুমার আজও সমানভাবে ভাস্বর। সময়, সিনেমা তৈরির প্রযুক্তি এবং দর্শকের রুচি বদলালেও মহানায়কের পর্দার সেই চিরচেনা হাসি, ক্যারিশমাটিক ব্যক্তিত্ব এবং জীবন্ত অভিনয়শৈলী এতটুকু ম্লান হয়নি। ৩ সেপ্টেম্বর তাঁর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে চলচ্চিত্র জগতের পাশাপাশি দেশ ও রাজ্যের রাজনৈতিক নেতৃত্বের শ্রদ্ধার্ঘ্যে নতুন করে ফিরে এলো মহানায়কের স্মৃতি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিশেষ বার্তার মাধ্যমে মহানায়ককে বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
চার দিনব্যাপী রাজ্যজুড়ে শতবর্ষ উদযাপন
মহানায়কের জন্মশতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং তাঁর কালজয়ী অবদানকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে:
-
বিশেষ প্রদর্শনীয় ও চলচ্চিত্র উৎসব: মহানায়ক অভিনীত কালজয়ী সিনেমাগুলির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে প্রেক্ষাগৃহগুলিতে।
-
সংরক্ষিত প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা: তাঁর জীবনের দুর্লভ ছবি, ব্যবহৃত পোশাক এবং সিনেমার পোস্টার নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিনোদন জগতের গুণীজনদের নিয়ে তাঁর অভিনয়শৈলী ও সিনেমার ভাষা নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে সেমিনার।
শ্রদ্ধার্ঘ্য ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
| ব্যক্তিত্ব | বার্তার মূল বিষয়বস্তু |
| নরেন্দ্র মোদী (প্রধানমন্ত্রী) | সমাজমাধ্যমে বিশেষ বার্তায় মহানায়কের অভিনয়ের সহজাত ভঙ্গি এবং গভীর আবেগের প্রশংসা করেন। ‘মন কি বাত’-এর স্মৃতি উসকে সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’ সিনেমার প্রসঙ্গে তাঁর অসামান্য অভিনয়ের কথা স্মরণ করেন। |
| শুভেন্দু অধিকারী (মুখ্যমন্ত্রী) | রাজ্য সরকারের তরফে মহানায়কের জন্মশতবর্ষকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বার্তা দেন এবং বাঙালি সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রে উত্তম কুমারের অনন্য অবদানকে অমর বলে উল্লেখ করেন। |
বাঙালির নস্টালজিয়া ও আবেগের ভরকেন্দ্র হয়ে থাকা উত্তম কুমার শতবর্ষেও কীভাবে প্রাসঙ্গিক, চার দিনের এই অনুষ্ঠানমালা তারই সাক্ষ্য বহন করছে।



By












