দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রবিবারের পর থেকে বঙ্গ রাজনীতির সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা। নির্ঘণ্টা প্রকাশের পর থেকেই হইচই পড়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্যে। তবে পরিস্থিতি স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে যখন কমিশনের তরফ থেকে রাতারাতি সরানো হয় মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের পাশাপাশি পুলিশের বেশ কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিকদের। প্রতিবাদ জানাতে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদদের তরফ থেকে ওয়াকআউট করা হয় রাজ্যসভায়।
বিষয়টি নিয়ে অবস্থান জানানো হয়েছে বিজেপির তরফ থেকেও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মনে করছেন যে কমিশনের তরফ থেকে একেবারেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি বিধায়ক বলেন, “নির্বাচন করা যায় না, উনি যাদের পাইদাস লোকেদের বসিয়েছেন, তাদের দিয়ে। বদলানো উচিত এসপি, ডিএম, ওসি, আইসিও সম্ভব হলে। কাদের কাদেরকে সাইডলাইন করে রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যোগ্য অফিসারদেরকে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব তাঁদের কাজে লাগানোর।”
এই বদলের বিরোধিতা করলেও জয় নিয়ে আশাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস। দলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুনাল ঘোষ নিজের অবস্থান জানিয়েছেন এই ব্যাপারে। সোমবার দলীয় কার্যালয় থেকে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “এগুলি বিজেপির প্যানিক রিঅ্যাকশন। বাংলা দখল করতে পারবে না ওরা বুঝে গিয়েছে। প্রথমে রাজ্যপাল বদল। তারপর বুঝে গিয়েছে যে ওদের পাশে নেই রাজ্যের মানুষ। পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছে ওদের। বাংলার ভোটারদের নাম বাদ দিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে। হয়রান করেছে। ওরা হেরে গিয়েছে ওরা জানে। তাই অবশেষে রাতের অন্ধকারে বদল করতে হচ্ছে মরিয়া চেষ্টা করতে গিয়ে। ঘুম হচ্ছে না।” আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলেন, “যার বিরুদ্ধে লড়তে আসছে, উনি টাইগ্রেস অফ ইন্ডিয়া। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে তত বাড়বে, যত খোঁচাবেন। তত জেদ বাড়বে বাংলার মানুষের। বিজেপি ভয় পেয়েছে। ইয়ে ডর আচ্ছা লাগা। কত বদল করবেন? তত জবাব দেওয়ার চেষ্টা বাড়বে যত করবেন বদল।”



By










