দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: চলতি বছরে হতে চলা বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে। এই মুহূর্তে গোটা রাজ্যজুড়ে বইছে ভোটের হাওয়া। সেই আঁচ পড়েছে দোল উৎসবেও। কী ঘটনা ঘটেছে? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ভবানীপুরে উৎসব উদযাপনের পাশাপাশি শোভাযাত্রায় যোগ দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি “সেকুলারিজম নিপাত যাক” বলার পাশাপাশি ‘গোরা গোরা গৌরাঙ্গ’ গান ধরেন সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে।
দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। আর কিছুদিনের মধ্যেই তা ঘোষণা করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে আসা-যাওয়া বৃদ্ধি পেয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। শুধু তাই নয়, তৃণমূল সুপ্রিমোর শক্তঘাঁটিতে নতুন দপ্তর পর্যন্ত খোলা হয়েছে গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে। দোলযাত্রা উদযাপন করতে এদিন ভবানীপুরে আসেন নন্দীগ্রাম বিধায়ক। শোভাযাত্রায় যোগ দিয়ে তাঁর বক্তব্য, “সেকুলারিজম নিপাত যাক। নিপাত যাক নাস্তিকতা। এই প্রার্থনাই করব যেন হিন্দুরা সুরক্ষিত থাকে পশ্চিমবঙ্গে।”
বিরোধী দলনেতার এমন মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হিন্দুত্বকে হাতিয়ার করেই ময়দানে নামছে বিজেপি। আবার অনেকে এমনও মনে করছেন যে এবারের নির্বাচনে ভবানীপুর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। সবমিলিয়ে, যেভাবে ভবানীপুরে আসা-যাওয়া বেড়েছে তাঁর, তাতে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে যে এমনটা হওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ভবানীপুর থেকে কাকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হবে বিজেপির তরফ থেকে, সেদিকে নজর থাকবে সকল রাজ্যবাসীর।
প্রসঙ্গত, এদিন দোলযাত্রা উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে রাজ্যবাসীদের বার্তা দেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তিনি লিখেছেন, “ওরে গৃহবাসী খোল্ দ্বার খোল্, লাগল যে দোল। স্থলে জলে বনতলে লাগল যে দোল।” এরপরই সবাইকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, “সকলকে জানাই শুভ দোলযাত্রার আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।” তাঁর সংযোজন, “শান্তির হোলি ও দোল আনুক মানুষের পবিত্র সম্প্রীতি।”



By










