দেবজিৎ মুখার্জি: “সর্বদা আলোচনার দ্বারা শান্তি প্রক্রিয়ায় আগ্রহী আমরা” মধ্যপ্রাচ্যে যে ভয়াবহ আবহাওয়া তৈরি হয়েছে ইসরাইল-আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে, তা নিয়ে অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কী বললেন তিনি? সোমবার তিনি দাবি করেন যে শান্তির শক্তি বেশি অশান্তির চেয়ে। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে মিডিল ইস্টের দেশগুলিতে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিয়েও চিন্তা প্রকাশ করেন তিনি।
গত শনিবার ইসরাইল ও আমেরিকা যৌথভাবে হামলা চালায় ইরানে। এর জেরে প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপরই পাল্টা দেওয়া শুরু হয় ইরানের তরফ থেকে, যা কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে ইরান ও ইসরাইল সহ গোটা মধ্যপ্রাচ্য। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে চলেছে এই যুদ্ধের জেরে। অনেকেই নিহত হয়েছেন।
এমন পরিস্থিতিতে রবিবার রাতে জরুরি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর পাশাপাশি আলোচনা হয় দেশের ডিপ্লোম্যাটিক পজিশন নিয়ে। এছাড়া আরো বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। জরুরি বৈঠক শেষ হওয়ার পরই তিনি ফোনে কথা বলেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে।
সোমবার বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান জানেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “আমাদের দেশের অবস্থান পরিষ্কার বর্তমান বিশ্বের একাধিক উত্তেজনার বিষয়ে। আমাদের তরফ থেকে সর্বদা আহ্বান জানানো হয়েছে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার।” তাঁর সংযোজন, “যখন জোটবদ্ধ হয় দুটি গণতন্ত্র, তখন আরো শক্তিশালী হয় শান্তির শক্তি।” তিনি জানান যে ভারত সমস্ত বিরোধিতার সমাধানকে সমর্থন জানায় আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার দ্বারা।
এছাড়া আটকে পড়া ভারতীয়দের নিয়েও চিন্তা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা একাধিক দেশের সঙ্গে আলোচনা করছি এই অঞ্চলের সমস্ত ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে। দিল্লির তরফ থেকে জোর দেওয়া হচ্ছে অস্থিরতা প্রশমন এবং ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাগুলির উপর।” যদিও ভারতীয়দের ফেরানোর কাজ আপাতত স্থগিত রয়েছে যেহেতু ইরান সহ বেশিরভাগ দেশের আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে যুদ্ধের কারণে।



By













