দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: দিন যত যাচ্ছে, বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনার পারদ ততই চড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস শাসিত পশ্চিমবঙ্গে। একদিকে বইছে ভোটের হাওয়া। আবার অন্যদিকে যুদ্ধের ময়দানে পরিণত হচ্ছে রাজ্য। কেউ যে কাউকে ছেড়ে কথা বলবে না, তা বলাই বাহুল্য। শাসক থেকে শুরু করে বিরোধী, দুই শিবিরই জোরদার প্রস্তুতি নিয়ে যাচ্ছে। বাংলার মসনদকে পাখিরচোখ করে সবটা দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে শুরু করে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি, বাম ও কংগ্রেস, সকলেই।
এই পরিস্থিতিতে বড় পরিকল্পনা করা হয়েছে বঙ্গ বিজেপির তরফ থেকে। কী সেই পরিকল্পনা? মার্চে ব্রিগেড সমাবেশ করার কথা ভাবছে তারা, যেখানে প্রধান বক্তা হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যদিও ব্রিগেড কবে হবে, সেই ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কারণ গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে রথযাত্রা শুরু হবে দক্ষিণবঙ্গের দলের বেশ কয়েকটি সাংগঠনিক জন থেকে এবং সেই রথগুলি আসবে ব্রিগেডে। দোলযাত্রার পরই রথযাত্রার কর্মসূচি হবে বলে খবর।
শনিবার সল্টলেকে অবস্থিত বিজেপির দপ্তরে একটি কোর কমিটি বৈঠক হয় দলের, যেখানে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদব, সহ-পর্যবেক্ষক বিপ্লব দেব, কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি ছিলেন দলের নয়া রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও নন্দীগ্রাম বিধায়ক কিছুক্ষণ বৈঠকে থেকে অন্য কর্মসূচির জন্য চলে যান। সেখানে আলোচনা হয় ব্রিগেড সমাবেশ, রথযাত্রা ও প্রার্থী তালিকা নিয়ে।
প্রসঙ্গত, এর আগেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গে এসে সভা করেছেন এবং দলীয় কর্মী ও নেতাদের উদ্দেশ্যে একাধিক বার্তা দিয়েছেন। পাশাপাশি, দুর্নীতির ইস্যু তুলে আক্রমণ করেছেন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকেও। তবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকেও পাল্টা দেওয়া হয় গেরুয়া ব্রিগেডকে। তারাও বেশ কয়েকটি ইস্যু তুলে বিজেপিকে আক্রমণ করে। এবার দেখার বিষয় যে প্রধানমন্ত্রী এবার যখন আসবেন, তখন কোনও চমক দেন কিনা বা বিশেষ কিছু ঘোষণা করেন কিনা। এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে গোটা রাজ্যে।



By









