দেবজিৎ মুখার্জি: এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিত থাকা ঘিরে বিরোধিতা জানানো হয় অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার তরফ থেকে। সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা। কিন্তু এই ব্যাপারে তারা খেলো বিশাল ধাক্কা। কী বলেছে আদালত? শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে রীতিমতো ভর্ৎসনা করা হয় তাদের এবং পরিষ্কার করে জানিয়ে দেওয়া হয় যে এই ব্যাপারে যেন রাজনীতি না করা হয়।
গত বুধবার শীর্ষ আদালতে দাঁড়িয়ে রাজ্যবাসীর হয়ে প্রশ্ন করায় ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু সবমিলিয়ে, বিভিন্ন মহল থেকে এসেছিল প্রশংসা, যা ঘিরে হইচই পড়ে গিয়েছিল গোটা ভারতবর্ষে। তবে সেখানে উপস্থিত থাকার এক্তিয়ার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রয়েছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে গিয়েছিল হিন্দু মহাসভা।
তবে সেই মামলায় বড় ধাক্কা খায় তারা। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে তা ধোপে টেকেনি। সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে পরিষ্কার করে দেওয়া হয় যেন তারা এটিকে নিয়ে রাজনীতি না করে। আদালতের বক্তব্য, “এমন কি অভূতপূর্ব ঘটনা আছে এটার মধ্যে? এটি বিশ্বাস ও আস্থা দেখায় সংবিধানের প্রতি।” এরপরই শীর্ষ আদালতের পরিষ্কার নির্দেশ, “রাজনীতি করবেন না এই বিষয়টি নিয়ে।”
প্রসঙ্গত, গত বুধবার প্রধান বিচারপতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শোনার পর তাঁর ভুয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেছিলেন, “দেখছি, তেমন হলে সময় বাড়ানো হবে। ফের সোমবার শুনানি। যেই কারণে তিনি এসেছিলেন, বাংলার মানুষদের হয়ে, অনেকটাই বলেছেন। সেদিন যদি আসেন, পরের দিন বাকিটা বলতে পারবেন। সবচেয়ে বড় কথা, উনি বলতে পারলেন বাংলার মানুষের হয়ে।” শুনানি শেষে দু’পক্ষকেই নোটিস দেওয়া হয়। কমিশনের তরফ থেকে কি কি পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তা জানানোর নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্য কত অফিসার দিতে পারবে, তা জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয় নবান্নকে। এছাড়া আদালতের তরফ থেকে এটাও জানানো হয়েছে যে মাইক্রো অবজারভারের দরকার নেই যদি রাজ্য সহযোগিতা করে এবং কমিশনকে সেন্সেটিভ হতে বলে।



By










