দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আরজি কর দুর্নীতি মামলায় এবার মহা চাপে হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি। কী ঘটেছে? তাঁর বিরুদ্ধে জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। শুধু তাই নয়, জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে এবং তা করেছে সিবিআই আদালত। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজ্য রাজনীতিতে পড়েছে ব্যাপক হইচই। এখানেই শেষ নয়, করতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্নও।
শুক্রবার মামলার শুনানিতে উপস্থিত থাকার কথা ছিল আখতার আলির। কিন্তু তাঁকে দেখা যায়নি এবং তা দেখেই রেগে গিয়েছে আদালত। এরপরই কোর্টের তরফ থেকে দেওয়া হয় হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপারকে দ্রুত গ্রেপ্তারির নির্দেশ। যদিও এই প্রথমবার নয়, বারবার তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন হাজিরা। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো নয় বলে জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। যদিও সন্দীপ ঘোষের আইনজীবীর বক্তব্য, দুর্নীতি করেছেন আখতার আলিই এবং যখন তিনি সুবিধা করতে পারেননি, তখন অভিযোগ তুলেছেন।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার কলকাতা হাই কোর্টের তরফ থেকে খারিজ করে দেওয়া হয় আখতার আলির আগাম জামিনের আবেদন। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বক্তব্য, সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে আখতার আলি কথা বেশ ভালোভাবেই জড়িত আর্থিক দুর্নীতি কাণ্ডে। তাঁর আইনজীবী অবশ্য দাবি করেছিলেন যে তিনি কোনভাবেই এর সঙ্গে যুক্ত নন, বরং তিনিই প্রথম এই অভিযোগ সামনে এনেছিলেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আইনজীবী অমাজিৎ দে দাবি করেছিলেন যে আখতার আলির যুক্ত থাকার একাধিক প্রমাণ রয়েছে সিবিআইয়ের কাছে। এরপরই শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এবার দেখার বিষয় যে এই মামলার জল কতদূর গড়ায়। আরো কিছু নতুন তথ্য বেরিয়ে আসে কিনা, সেটাই এখন দেখার। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে এই বিষয়টি ক্রমশ অন্য পর্যায়ে যাচ্ছে এবং আগামীদিনে বড় কিছু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুনকিছু বেরিয়ে আসবে কিনা, সেই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। সুতরাং এবার দেখার যে আগে কি হয়।



By










