• Home
  • জেলার খবর
  • “অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে আদালতে দৌড়াচ্ছে” তৃণমূলকে খোঁচা মোদির

“অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে আদালতে দৌড়াচ্ছে” তৃণমূলকে খোঁচা মোদির

Image

দেবজিৎ মুখার্জি: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বৃহস্পতিবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না নিয়ে খোঁচা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে তিনি দাবি করলেন যে যেখানে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দিচ্ছে বিশ্বের বড় দেশগুলি, সেখানে আদালতে তাদের বাঁচানোর জন্য দৌড়াচ্ছে ঘাসফুল শিবির। শুধু তাই নয়, তিনি এটাও দাবি করলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের তরফ থেকে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে আদালতের উপর এবং চেষ্টা চালানো হচ্ছে অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর।

বর্তমানে বঙ্গ রাজনীতিতে তোলপাড় চলছে এসআইআরকে কেন্দ্র করে। জল গড়িয়েছে শীর্ষ আদালত পর্যন্তও। বুধবার সেখানে ইতিহাস গড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে প্রথমবার কোনও মুখ্যমন্ত্রী শীর্ষ আদালতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেছেন। নিজের পাঁচ মিনিটের বক্তৃতায় তিনি যাবতীয় সব সমস্যার কথা তুলে ধরেন। কয়েকটি বিষয়ে সহমতও পোষণ করা হয় আদালতের তরফ থেকে।

বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় সেই বিষয়টি তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, নাম না নিয়ে, খোঁচা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “অনেক অভিযোগ করছেন আমার তৃণমূলের বন্ধুরা। তাঁদের বলি, কি অবস্থা করেছেন রাজ্যটার।” এরপরই প্রধানমন্ত্রীর কটাক্ষ করে বলেন, “নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন মহিলারা।” শুধু তাই নয়, তিনি এটাও দাবি করেন যে দুর্নীতির পর দুর্নীতি হচ্ছে রাজ্যে।

এরপরই অনুপ্রবেশ ইস্যু তুলে, নাম না নিয়ে, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দিচ্ছে আজ বিশ্বের বড় দেশগুলি। তাঁদের বাঁচাতে তৃণমূল কংগ্রেস আদালতে দৌড়াচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরা দেশের মানুষদের রুজিরুটি কেড়ে নিচ্ছে। তাদের তাড়াবো আমরা। তৃণমূল কংগ্রেস চাপ সৃষ্টি করছে আদালতের উপর। অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে বাংলায়।”

উল্লেখ্য, অনুপ্রবেশ ও অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে প্রতিনিয়তই তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে চলেছে বিজেপি। যদিও গেরুয়া শিবিরকেও লাগাতার পালটা দিয়ে যাচ্ছে ঘাসফুল শিবির এবং তাদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছে। এবার দেখার বিষয় যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি কোনও লাভ করতে পারে কিনা অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে লাগাতার আওয়াজ তুলে। আগামীদিনে কি হয়, সেটাই এখন দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top