দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: মাসখানেক আগে মাত্র পাঁচ সদস্যের মন্ত্রিসভা দিয়ে পথচলা শুরু হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীদের। তবে সোমবার, ১ জুলাই, তা পেল পূর্ণতা। একসাথে ৩৫ জন মন্ত্রীর শপথগ্রহণ লোকভবনে। অর্থাৎ মন্ত্রিসভার সদস্যের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪০। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান আরএন রবি। এদিন সকাল থেকেই লোকভবনে উৎসবের আবহা ছিল।
একনজরে পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকা:
তাপস রায়, দীপক বর্মন, শংকর ঘোষ, মনোজ ওঁরাও, অর্জুন সিং, গৌরীশংকর ঘোষ, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, স্বপন দাশগুপ্ত, কল্যাণ চক্রবর্তী, দুধকুমার মণ্ডল, অজয় পোদ্দার, অরূপকুমার দাস, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়
একনজরে স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের তালিকা:
ইন্দ্রনীল খাঁ, মালতী রাভা রায়, রাজেশ মাহাতো
একনজরে প্রতিমন্ত্রীদের তালিকা:
জুয়েল মুর্মু, ড. হরেকৃষ্ণ বেরা, আনন্দময় বর্মন, অশোক দিন্দা, নদিয়ারচাঁদ বাউড়ি, বিশাল লামা, দিবাকর ঘরামি, শান্তনু প্রামাণিক, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র, গার্গী ঘোষ দাস, উমেশ রাই, কৌশিক চৌধুরী, ভাস্কর ভট্টাচার্য, কলিতা মাজি, বিরাজ বিশ্বাস, দীপঙ্কর জানা, সুমনা সরকার, অমিয় কিস্কু
পাশাপাশি বিশেষ প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কয়েকজনকে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল দুটি দফায় এবং ফলপ্রকাশ হয়েছিল মে মাসের ৪ তারিখে। দুশোর বেশি আসন নিজেদের নামে করে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে যায় একশোরও কম আসন। শূন্যের গণ্ডি পেরিয়েছে সিপিএম ও কংগ্রেস। অন্যদিকে, নিজেদের গড় ভাঙর ধরে রাখতে সফল হয় আইএসএফ। হুমায়ুন কবিরের দল আমজনতা উন্নয়ন পার্টিও প্রথমবার ভোটের ময়দানে নেমে খাতা খুলেছে।
যদিও এবারের নির্বাচনে এসআইআরের কারণে বহু ভোটার ভোট দিতে পারেননি, যা ঘিরে জোর আলোচনা অব্যাহত রয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। এছাড়া দেখা গিয়েছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তা। প্রথম থেকেই নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কোনরকম খামতি রাখা হয়নি।



By










