দেবজিৎ মুখার্জি, পশ্চিম বর্ধমান: “এবারও হবে শহীদ তর্পণ” সাফ কথা তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনের। কী বললেন তিনি? দুর্গাপুরে দাঁড়িয়ে তাঁর চ্যালেঞ্জ, ৩৩ বছরের মতো এবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শহীদ তর্পণ হবে। এখানেই শেষ নয়, তিনি প্রয়োজনে থানার দারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।
অশান্তি ঠেকাতে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে প্রায় দুই মাস তিলোত্তমার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জারি করা হয়েছে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা। কমিশনার অজয় কুমার নন্দা বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছেন, আগামী ২ জুলাই থেকে ৩০ অগাস্ট অবধি বিএনএসের ১৬৩ ধারা কার্যকর থাকবে মধ্য কলকাতার নানা গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়, যার মধ্যে রয়েছে বউবাজার, হেয়ার স্ট্রিট, ট্র্যাফিক হেডকোয়ার্টার্স গার্ড এলাকা, কেসি দাস মোড় থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অঞ্চল সহ আরও অনেক। এটাও স্পষ্ট করা হয়েছে যে উল্লেখিত এলাকাগুলিতে কোনওরকম বেআইনি জমায়েত, ধরনা, মিছিল, ইত্যাদি করা হলে আইনি পথে হাঁটবে পুলিশ। বিজ্ঞপ্তিতে নিষিদ্ধ বলা হয়েছে পাঁচজন বা তার বেশি লোকজনের বেআইনি জমায়েতকে। জমায়েত করা যাবে না লাঠি বা অন্যান্য বিপজ্জনক অস্ত্র নিয়ে।
সেই নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ করে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন বলেন, ” ভরসা আছে আইন, বিচার ব্যবস্থা ও পুলিশ প্রশাসনের ওপর। গত ৩৩ বছর ধরে যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১শে জুলাইয়ের কর্মসূচি করে আসছেন, তেমনই করতে পারবেন এবছরও। মামলা হয়েছে আমাদের বিরুদ্ধে। দরকার হলে থানায় যাব।” পাশাপাশি ধর্মতলায় ১৬৩ ধারা জারি প্রসঙ্গে সাধারণ মানুষের অসুবিধার কথা বলেন তিনি এবং কটাক্ষ করেন সরকারের ‘তুঘলকি শাসন’ বলে। উল্লেখ্য, এদিন ডক্টরস ডে উপলক্ষে এক রক্তদান শিবির অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি দুর্গাপুরে যান। যাওয়ার পথেই তাঁকে কালো পতাকা দেখানোর পাশাপাশি ‘গো ব্যাক’ স্লোগান তোলা হয় স্থানীয় মানুষ ও বিজেপি সমর্থকদের তরফ থেকে। তারপরই গেরুয়া শিবিরের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন তিনি। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কালীঘাট তৃণমূল এই কর্মসূচি পালনে সফল হয় কিনা।



By










