দেবজিৎ মুখার্জি: অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের অনুদান চুরির ঘটনায় এবার কড়া পথে হাঁটল অযোধ্যা বার অ্যাসোসিয়েশন। কী পদক্ষেপ নিল তারা? অভিযুক্তদের পক্ষে যদি কোনও আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেন, তাহলে তাঁর ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা হবে। এখানেই শেষ নয়, আইনজীবীদের সংগঠনের তরফ থেকে কয়েকজন ট্রাস্ট-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধেও সরব হওয়া হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক হইচই পড়েছে যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে। শুধু তাই নয়, হাজারও প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।
বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের অনুদান চুরির ঘটনা। খবর জনসম্মুখে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল সমগ্র ইউপিতে। ঘটনার তদন্ত নেমে সম্প্রতি বিশেষ তদন্তকারী দলের (সিট) তরফ থেকে একটি রিপোর্ট পেশ করা হয় এবং তার ভিত্তিতে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। ৮ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়। পরে তাঁরা গ্রেফতারও হন। পরে তাঁরা গ্রেফতারও হন। তদন্ত চলাকালীন পাওয়া যায় প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা। শুধু তাই নয়, তদন্তকারীদের হাতে কয়েকজন ধৃতের সঙ্গে ট্রাস্টের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগাযোগের তথ্যও মেলে। রবিবার তল্লাশি চালানো হয়েছে অবিনাশ শুক্ল, অনুকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, মণীশকুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব ও রামশঙ্কর ওরফে টিনু যাদবের বাড়িতেও।
এই ঘটনার পর সোমবার অযোধ্যা বার অ্যাসোসিয়েশন বৈঠক করে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে কোনও অভিযুক্তের পক্ষে আদালতে সওয়াল করবেন না সংগঠনের কোনও সদস্য। যদি কোনও আইনজীবী নির্দেশ না মানেন, তাহলে তাঁকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অযোধ্যা ছাড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’এর সদ্য প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই, ট্রাস্ট সদস্য অনিল মিশ্র এবং গোপাল রাওকে এবং তা যদি না হয়, তাহলে অযোধ্যা অবরুদ্ধ করার ডাক দেওয়া হবে বলে তাঁদের হুঁশিয়ারি। এছাড়া সিবিআই তদন্তের দাবিতেও তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কী হয়।



By














