দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: তোলপাড়ের মাঝে বিধানসভায় পাশ হলো চর্চায় থাকা ‘পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল’ বা গুন্ডাদমন বিল। সোমবার বিধানসভায় বিলটি পেশ করেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা। এর পক্ষে ভোট পড়ে ১৭৬টি, বিপক্ষে ৪১টি এবং ভোটদান থেকে দূরে থাকেন ২০জন বিধায়ক। ভোটাভুটিতে যোগ দেওয়া হয়নি কালীঘাট তৃণমূলের তরফ থেকেও।
বিলের পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষের বক্তব্য, “এই বিল গরিবের টাকা যারা শোষণের চেষ্টা করবেন, তাদের শাস্তি দেওয়ার জন্যই অত্যন্ত দরকার। আর সাহস পাবে না সরকারি সম্পত্তির দিকে চোখ তুলে তাকানোর। এমনই ব্যবস্থা করছি আমরা।” তাঁর সংযোজন, “এই বিলের দ্বারা সময় এসেছে পুলিশকে টেবিলের তলা থেকে বের করে গুন্ডাদের টেবিলের তলায় ঢোকানোর।”
অন্যদিকে, এই বিলের বিরোধিতায় বক্তব্য রাখতে উঠলেও নিজের বক্তব্য শেষ করতে পারেননি তৃণমূলের বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় চরম তোলপাড়ের জেরে। পরে তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিলের বদলে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতির বিষয় তুলে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন স্পিকারের। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কি হয়। এই বিলকে ঘিরে আসন্ন দিনগুলোতে রাজ্যে বড়সড় কিছু ঘটে কিনা, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে রাজ্যবাসী সহ গোটা রাজনৈতিক মহল। শুধু তাই নয়, বিরোধী দলগুলি এর বিরুদ্ধে কোন বড় আন্দোলনে যাবে কিনা, সেদিকেও এখন নজর রয়েছে সকলের। সেক্ষেত্রে দেখার যে জল কতদূর গড়ায় বা আগামীদিনে কী হয়। কী হয় অবশেষে? তা বলবে সময়।



By










