দেবজিৎ মুখার্জি: দেশের জনবিন্যাস বদল নিয়ে একাধিকবার চিন্তা প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে রাজনৈতিক তরজাও তুঙ্গে। এই প্রসঙ্গ টেনে একাধিকবার গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে বিরোধীদের আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে। বলা ভালো, করে চলেছে। যদিও বিরোধীরাও এর পাল্টা দিয়ে যাচ্ছে বিজেপিকে যখনই প্রসঙ্গ উঠছে।
এই আবহে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সদস্য মৌলানা সাজ্জাদ নোমানি। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, প্রায় ৩ দশক দেশের নানা প্রান্তে ঘোরার পর তিনি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছেন যে নিজেদের আর দেশের সংখ্যাগুরু জনসংখ্যা বলে দাবি করতে পারেন না হিন্দুরা। তাদের মধ্যে এত গোষ্ঠী, সম্প্রদায়-সব সম্প্রদায়কে আলাদা করে দেখলে হিন্দুদের চেয়ে বেশি হবে মুসলিমদের জনসংখ্যাই।
মৌলানা সাজ্জাদ নোমানির বক্তব্য, “আমি পবিত্র কাবা শরিফের হাজির-এ-আসওয়াদে হাত রেখে বলতে পারি, এ দেশে সংখ্যাগুরু নয় হিন্দুরা। কোনও অবস্থাতেই সংখ্যাগুরু বলা যাবে না হিন্দুদের।” তাঁর যুক্তি, অনেকে শিখ বা বৌদ্ধদের হিন্দুদের অংশ হিসাবে দেখেন। কিন্তু হিন্দু নন তাঁরা। তামিলদের, লিঙ্গায়েতদেরও বলা যাবে না হিন্দু। নিজেদের হিন্দু হিসাবে দেখে না জাটদের একটা বড় অংশ। এমনকি হিন্দু নন তফসিলি জাতি ও উপজাতির একটা বড় অংশও।” শুধু তাই নয়, তিনি আরো দাবি করেছেন, “আমরা ভাবতাম ক্ষতিকর নয় সেকুলার হিন্দুরা। কিন্তু দুই গোষ্ঠীর হিন্দুই ক্ষতিকর মুসলিমদের জন্য। কারণ আমরা যাঁদের ভরসা করতাম, ফ্যাসিস্ট হিন্দুদের হাতে দেশটাকে তুলে দিয়েছে সেই সেকুলার হিন্দুরাও।”



By










