দেবজিৎ মুখার্জি, নদীয়া: উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কৃষ্ণনগর স্টেশন চত্বর। ঘটনাটি কী? পুলিশের সাথে বচসা ও হাতাহাতিতে জড়ান সিপিআইএম, সিটু, এসইউসিআইয়ের কর্মীরা। যদিও শেষ পর্যন্ত রেল সফল হয় উচ্ছেদ অভিযানে। বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় যাবতীয় সব অবৈধ দোকান ও নির্মাণ। এখানেই শেষ নয়, ভেঙে দেওয়া হয়েছে সিটুর এক দলীয় অফিসও। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়।
জানা গিয়েছে, আগেই নোটিস দিয়ে বলা হয়েছিল যে মঙ্গলবার, ১৬ জুনের মধ্যে, রেলের জায়গায় ও কৃষ্ণনগর স্টেশন চত্বরে থাকা যাবতীয় সব দোকান ও অবৈধ নির্মাণ সরিয়ে ফেলতে হবে। সেই মতো ১৫ তারিখ রাতেই একাধিক ব্যবসায়ী সরিয়ে নেন তাঁদের দোকান। ১৬ তারিখ উচ্ছেদ অভিযানে নামে রেল। তবে তার আগেই স্টেশন চত্বরে বিক্ষোভ দেখানো শুরু হয় সিপিআইএম, সিটু, এসইউসিআই সহ নানা হকার সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের।
উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন তুমুল বচসা ও হাতাহাতি লাগে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে। যদিও শেষ পর্যন্ত রেল সফল হয়। বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে অবৈধ নির্মাণগুলি। পুরো ঘটনায় বিজেপি সহ রেল ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল যাদবপুরে। ঘটনায় আটক করা হয়েছিল এসএফআইয়ের সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য সহ আরও অনেককে। এখানেই শেষ নয়, অনেকে আহত হয়েছিলেন পুলিশ লাঠিচার্জ করায়। যদিও শেষ পর্যন্ত জামিন পান সকলে। বামেদের আন্দোলনকে সমর্থন জানান ভাঙ্গরের আইএসএস বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীও।



By










