দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “সাধারণ তৃণমূল কর্মীরা ও মানুষ দেখবেন” নব তৃণমূল ব্লক নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুনাল ঘোষ। কী বললেন তিনি? ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর বাহিনীকে একহাত নিয়ে ঘাসফুল শিবিরের এই প্রভাবশালী নেতা দাবি করেন যে তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে প্রচার করে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে জিতেছেন এবং নেত্রীকে উপেক্ষা করে অন্যকোনও প্ররোচনায়, স্বার্থে কিছু করতে যান, তাহলে দলীয় কর্মীরা ও মানুষ দেখবেন।
বুধবার বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় নব তৃণমূল ব্লক। খবর জানাজানি হতেই ব্যাপক হইচই পড়ে যায় বঙ্গ রাজনীতিতে। শুধু তাই নয়, প্রশ্নের মুখে পড়ে ঘাসফুল শিবিরের নীতি ও অস্তিত্ব। বলা ভালো, দলের ভবিষ্যৎ কি, এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে আমজনতার মধ্যে। এই আবহে ঘটনা প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঘাসফুল শিবিরের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা, তথা বেলেঘাটার বিধায়ক, কুনাল ঘোষ।
বর্ষীয়ান নেতা বলেন, ”কারা কী করেছেন কী জন্য। তাঁরা চিঠি দিয়েছেন, আইনি পথে যা হবে খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। এরা প্রচার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে, জিতেছেন তৃণমূলের প্রতীকে। এখন এরা নেত্রীকে উপেক্ষা করে অন্য কোনও প্ররোচনায়, স্বার্থে কিছু করতে যান, তাহলে দেখবেন সাধারণ তৃণমূল কর্মীরা ও মানুষ। এমন চোরা গোপ্তা কাজ করার কিছু ছিল না।”
বলে রাখা প্রয়োজন, এই সমস্ত বিধায়ক কিন্তু তৈরি করেননি নতুন কোনও দল। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই তাঁরা মানছেন নিজেদের সর্বময় নেত্রী। কিন্তু প্রকৃত তৃণমূল ব্লক তাঁরাই এবং সংখ্যার দিক থেকে বিধানসভা এই ব্লককেই স্বীকৃতি দিচ্ছে। কারণ এখন আদি তৃণমূলের বিধায়কের সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ২২শে এবং নব তৃণমূল ব্লকের বিধায়কদের সংখ্যা ৫৮। এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে এই পর্বে আর কী দেখা যায়।



By










