দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ফের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কী কারণে এবার তিনি আদালতের দ্বারস্থ হলেন? এবারের বিষয়বস্তু সই কান্ড। সিআইডির নোটিসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবং যাতে তাঁকে তারা গ্রেফতার না করে, সেই রক্ষাকবচ চেয়ে বুধবার আবেদন করা হয় যার বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের এজলাসে। বিচারপতির তরফ থেকে অনুমতিও দেওয়া হয়েছে মামলা দায়ের করার। প্রাথমিকভাবে খবর, শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে আগামীকাল, শুক্রবারে।
প্রসঙ্গত, ভোট-পরবর্তী বঙ্গ রাজনীতি একাধিক ইস্যুতে উত্তপ্ত। তার উপর নয়া সংযোজন, সই জাল কাণ্ড। ঘটনা জনসম্মুখে আসতেই অস্বস্তি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। তার উপর পরিস্থিতি আরো স্পর্শকাতর করে তুলেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করা। পরিস্থিতি এই পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যে নতুন তৃণমূল তৈরি হতে চলেছে। বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে জোর আলোচনা চলছে রাজ্য রাজনীতিতে। বলা ভালো, উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে রাজনৈতিক মহলের।
তবে এই ঘটনায় একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ককে নোটিস দেওয়ার পাশাপাশি নোটিস দেওয়া হয় ঘাসফুল শিবিরের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। সোমবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল ভবানীভবনে। কিন্তু সোনারপুরে তাঁর উপর হামলা হওয়ায় তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চেয়ে এড়িয়ে যান হাজিরা। তবে তদন্তে কোনও খামতি না রাখতে তাঁর কালীঘাটের বাসভবনে পৌঁছে যান সিআইডির একটি দল। ভিডিওগ্রাফি করে তারা এবং সেদিনই ফের ধরানো হয় একটি নোটিস বলে খবর।
রাজনৈতিক মহলের মতে গ্রেফতারির সম্ভাবনা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের। তা এড়াতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে গিয়ে রক্ষাকবচের আবেদন করেছেন। এবার দেখার বিষয় যে জল শেষ পর্যন্ত কতদূর গড়ায়। কী হয় আগামীদিনে বা আদলত কী করে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে গোটা রাজনৈতিক মহলের।



By










