দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তথা ডায়মন্ড হারবার সাংসদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনাকে ঘিরে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। ঘটনা জনসম্মুখে আসতেই তীব্র হইচই পড়ে গোটা রাজ্যে। ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় সোনারপুর সহ গোটা বাংলায়। রাজনৈতিক তরজাও তুঙ্গে পৌঁছে গিয়েছে। বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তোলা হলেও তা অস্বীকার করেছে তারা। তবে বিষয়টি শুধু রাজ্য রাজনীতিতে নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও বেশ প্রভাব ফেলেছে।
আহত অভিষেক সোজা বাইপাসের ধারের এক হাসপাতালে পৌঁছান। এরপর হুইল চেয়ারে বসিয়ে তাঁকে ইমার্জেন্সিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুক্ষণ পরে হাসপাতালের পোশাকে, হুইলচেয়ারে বসে বেরিয়ে আসেন ঘাসফুল শিবিরের সেনাপতি এবং গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন সহ আরো অনেকে।
হাসপাতাল থেকে বেরোনোর পর অভিষেক ওঠেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে। সামনে বসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং অভিষেক বসেন পিছনের আসনে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য “এখান থেকে আমার শিফট করছি, এখানে হচ্ছে না ট্রিটমেন্ট। বলে দিয়েছে উপর থেকে।” রাত ৮টার কিছু পর অভিষেককে নিয়ে যাওয়া হয় বেলভিউ হাসপাতালে। সেখানে তাঁর একাধিক শারীরিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “দেখলাম নানা জায়গায় ইনজুরি স্পট। ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে জামা….. যা কিছু ঘটতে পারত যে কোনও সময়। চোটও আছে মাথায়।”



By










