দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বাংলার মাটিতে জয় পেয়ে ইতিহাস গড়ে খুশির হাওয়া বইছে গেরুয়া শিবিরে। দলীয় কর্মী-সমর্থক থেকে শুরু করে রাজ্যবাসীদের একাংশ এখন অপেক্ষা করছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে। এই আবহে সেই চেনা রূপে ফের দেখা গেল খড়গপুর সদরের নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক দিলীপ ঘোষকে। শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন। তাঁর সাফ কথা, বিজেপি কোনও আলাদা দায়ভার নেবে না সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের। তাঁর মতে, তাদের উন্নয়নের নামে বিগত ৮০ বছর ধরে শুধু রাজনীতিই হয়েছে।
এদিন কড়া ভাষায় দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, “উন্নয়ন তো হয়েছেই সংখ্যালঘুদের। আর কী উন্নয়ন হবে আলাদা করে? আমরা বিশ্বাসী সবকা সাথ সবকা বিকাশ নীতিতে।” তাঁর প্রশ্ন, নানা রাজনৈতিক দল বিগত আট দশক ধরে সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের দাবি করলেও কেন তারা আজও গরিব, অশিক্ষিত এবং অপরাধ করার প্রবণতা ও ক্রিমিনাল তকমা রয়ে গিয়েছে তাদের মধ্যে? দাপুটে বিজেপি নেতার বক্তব্য, এই প্রশ্ন এখন সংখ্যালঘুদের নিজেদের এবং তাঁদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা দলগুলোকে করা উচিত।
তিনি আরো বলেন, “সংখ্যালঘুদের আলাদা করে উন্নয়ন করার কোনও দায় নেই বিজেপির। কারণ ওরা ভোট দেয় না আমাদের।” কিন্তু তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে ভোটের সমীকরণের ঊর্ধ্বে সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বাদ পড়বে না কেউ। দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাড়িঘর, সরকারি সুবিধা তারা সবই পাবে। তা আগেও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, এখন সেই একই ধারা আমাদের সরকারও বজায় রাখবে।” দাবাং নেতার এই মন্তব্য প্রসঙ্গে বিরোধীদের বক্তব্য, গেরুয়া শিবির সরকার গঠনের পরই শুরু করেছে বিভাজনের রাজনীতি। তবে পদ্ম শিবিরের বক্তব্য, দিলীপবাবু কেবল বাস্তব চিত্রটাই তুলে ধরেছেন।



By










